৭৩ বছর ধরে জলের নীচে বেঁচে থাকা ভুতুড়ে গ্রামের রহস্য - The News Lion

৭৩ বছর ধরে জলের নীচে বেঁচে থাকা ভুতুড়ে গ্রামের রহস্য

 


দি নিউজ লায়ন ;    এক ভুতুড়ে গ্রাম। যেটি গত ৭৩ বছর ধরে বেঁচে রয়েছে জলের নীচে। ভাবছেন তা কীভাবে সম্ভব! একটা গোটা গ্রাম কীভাবে জলের নিচে থাকতে পারে! অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি। এই গ্রামটি ইতালিতে অবস্থিত। এই গ্রামটির নাম “ফ্যাব্রিশ ডি ক্যারিন''। শেষবার এই গ্রামটিকে নাকি উঠে আসতে দেখা গিয়েছিল ১৯৯৪ সালে।  টাস্কানি প্রদেশের ‘লুক্কা’ নামের অঞ্চলে অবস্থিত এই গ্রামটিকে এখনো পর্যন্ত ১৯৫৮, ১৯৭৪, ১৯৮৩ ও ১৯৯৪ মোট এই চারবারই দেখা গিয়েছে জলের উপরে উঠে আসতে।       


বলা হয়, এই গ্রামটি তৈরি হয়েছিল ১৩০০ শতকে। এই গ্রামে লোহার উৎপাদন হত বলে এখানে বেশিরভাগই থাকত কামার সম্প্রদায়ের পরিবারগুলি। কিছু কিছু মানুষের মুখে প্রচারিত যে এই গ্রামে অতৃপ্ত আত্মা আর অশরীরীদের বসবাস ছিল বলেই একটি ঝিল তৈরি করে গ্রামটিকে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল তখন। সবসময়ই ৩৪ মিলিয়ন কিউবিক মিটার জলের নীচে ডুবে থাকে গ্রামটি। 


২০২০ সালে আবারও গ্রামটি উঠে এসেছিলো জলের উপরে। অনেকের অনুমান, এই বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে পর্যটকরা আবার এই মধ্যযুগীয় ঐতিহাসিক ও অদ্ভুত গ্রামটিকে দেখতে যেতে পারবেন। ২৬ বছর পর নাকি ফের ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে এই ঝিলের জল। 


ঝিলের জল খালি করছে একটি সংস্থা যাতে ভেতরের দিকটা কিছুটা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা যেতে পারে। ২০২১ সালে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে জানায় সেই সংস্থা।     ১৯৪৭ সালে এই গ্রামের উপর একটি বাঁধ তৈরি করেছিল ইনেল কোম্পানি। গ্রামটি জলের নীচ থেকে উঠে এলে সেখানে ১৩০০ শতকের পাথরের তৈরি ইমারত দেখতে পাওয়া যায়। এই গ্রামটিতে এখনো চার্চ, কবরস্থান এবং পাথরের তৈরি অনেক বাড়ি রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.