মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গ্রুপ ডি পদে চাকরির ফাঁদে পড়ে আত্মঘাতী যুবক - The News Lion

মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গ্রুপ ডি পদে চাকরির ফাঁদে পড়ে আত্মঘাতী যুবক

 


দি নিউজ লায়নঃ    প্রতারণা প্রতারণা চক্রের ফাঁদে পড়ে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গ্রুপ ডি পদে চাকরিতে যোগ দেয়ার পর শেষ পর্যন্ত দুই মাস পরে বেতন না পেয়ে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলো ওই যুবক। মৃতের নাম সাবির আহমেদ (২৫)। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় বেলডাঙ্গার ভাবতা এলাকায়। মৃতের পরিবারের তরফ এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রতারণা চক্রের পান্ডা এস. সরকার নামের ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এ ব্যাপারে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সুপার ডাক্তার অমিও কুমার বেরা বলেন,"এমন ঘটনা খুবই দুঃখজনক।


 এস. সরকার  নামের এমন কোন ব্যক্তি আমাদের হাসপাতালের কর্মী নন। কিভাবে এই প্রতারণা চক্রটি সক্রিয় হয়েছে তা বলা কঠিন"। প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগে সাবির আহমেদ নামের ওই যুবক এস. সরকার নামের ব্যক্তির ফাঁদে পড়ে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে গ্রুপ ডি পদে একটি চাকরি পান। সম্প্রতি সাবির হাসপাতালে গ্রুপ ডি পদে কাজে যোগদান করেন। এমনকি কাজের বিনিময় দুমাসের বেতন ও হাতে পায় সাবির বলেই তার পরিবারের সদস্যরা জানান। এই পর্যন্ত সব ঠিক থাকলেও। ওই প্রতারণা চক্রের পান্ডা এস. সরকার পুনরায় সাবির কে দিয়ে হাসপাতালে আরো গ্রুপ ডি পদে কর্মী নিয়োগের জন্য তার এলাকা থেকে ৩ লাখ টাকা তোলা তোলা য়। আর এই টাকা নেওয়ার পরে ওই যুবকদের চাকরি না হওয়ায় তারা স্বামীকে রীতিমতো মানসিকভাবে চাপ দিতে থাকে বলে অভিযোগ।


 ফলে একদিকে নিজের কর্মস্থলে দুমাস বেতন পাওয়ার পর বেতন না পাওয়ায় চাকরির নিশ্চয়তা ও পাশাপাশি অন্যদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই ব্যক্তির খাদে পড়ে গিয়ে চরম মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকে সাবির। শেষ পর্যন্ত কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হয় সে।ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চেয়ে অভিযুক্ত এস.সরকারকে খুঁজে বের করে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে সাবির এর পরিবার। এই ব্যাপারে সাবিরের দাদা রহিদুল ইসলাম বলে,"ভাই প্রতারণা চক্রের ফাঁদে পড়ে ৫ লাখ টাকা দিয়ে চাকরি যেমন পায় তেমনি ওই পান্ডার শিকার হয়ে অন্যদের কাছ থেকে টাকা তুলতে বাধ্য হয়। মিলিয়ে চক্রান্তের শিকার হয়েছে আমার ভাই। ঐ এস সরকার হচ্ছে যাবতীয় ঘটনার মূল পান্ডা তার কঠোর শাস্তি প্রয়োজন"। যদিও ঘটনার পর থেকে এস সরকার নামের ওই ব্যক্তির কোন হদিস মেলেনি।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.