মহেশতলায় শোভন-বৈশাখীর রোড শো করার সময় কালো পতাকা দেখালেন তৃণমূল কর্মীরা
দি নিউজ লায়নঃ মহেশতলায় বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোড শো করার সময় কালো পতাকা দেখালেন তৃণমূল কর্মীরা। ডাকঘর মোড় থেকে বিজেপির মিছিল এগতে থাকলে রাস্তার একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূল কর্মীরা কালো পতাকা দেখিয়ে অভ্যর্থনা জানান এই দলবদলুদের। শুধু তাই নয় মহিলা কর্মীদের একাংশ জুতো দেখিয়ে স্বাগত জানান শোভন-বৈশাখীকে।
দুই শিবিরের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ছিল চরম উত্তেজনা। বিজেপি এবং তৃণমূলের রোড শো এবং প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অবরুদ্ধ হয়ে যায় গোটা বজ বজ ট্রাঙ্ক রোড। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিসবাহিনী। ডাকঘর যাওয়ার রাস্তার অভিমুখ তৃণমূলের দখলে চলে গিয়েছিল। তারা যাতে রাস্তার এপারে না আসতে পারে, তার জন্য দড়ি দিয়ে আটকে দেওয়া হয় একদিক। মিছিল ডাকঘর মোড় ছাড়িয়ে এগিয়ে আসতেই তুমুল স্লোগানিং শুরু করে তৃণমূল। তার পাল্টা জয় শ্রীরাম স্লোগান দেন বিজেপি কর্মীরা।
প্রসঙ্গত, এ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক দুলাল দাস, যিনি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের প্রাক্তন শ্বশুর। দুজনের মধ্যেই ঠান্ডা লড়াই রয়েছে। তাই মহেশতলা মিছিল করে নিজের শক্তি প্রদর্শন করতে চাইছিলেন শোভন। আর দুলালবাবুর গড়ে দাঁড়িয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন তাঁর দিকে। আগামীদিনে এই বিধানসভা এলাকায় আবারও আসবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে তৃণমূলের কালোপতাকা দেখানোকে গুরুত্ব না দিয়ে এই বিধানসভা কেন্দ্র বিজেপির ভাল ফল হবে বলে জানিয়েছেন শোভন। একইসঙ্গে তাঁর প্রাক্তণ স্ত্রী রত্ন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি।
এর পাল্টা আক্রমণ করেছেন দুলালবাবুও। তিনি বলেন ব্যক্তিগত আক্রমণ করতে চাইনি। কিন্তু শোভন যখন এত কিছু বলেছে তখন তো উত্তর দিতেই হবে। সবার সঙ্গে আমার মেয়ের বিয়ে হোক তা আমি কখনো চাইনি। ওর ভাইরা জোর করে রাজি করিয়েছেন। এখন শোভনকে পাপের ফল ভোগ করতে হচ্ছে। মন্ত্রিত্ব মেয়র সবই গেছে। আগামী দিনে আরো ভুগতে হবে তাঁকে।


Post a Comment