রাস্তা তৈরির কাজে বাধাদান প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলরের, নির্মাণকারী সংস্থা থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ
দি নিউজ লায়ন; রাস্তা তৈরির কাজে তিন লক্ষ টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠলো ইংরেজবাজার পুরসভার সিপিএমের প্রাক্তন এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এব্যাপারে রাস্তা নির্মাণকারী সংস্থা পক্ষ থেকে ইংরেজবাজার পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় প্রাক্তন কাউন্সিলারে সাফাই, সরকারি নিয়ম না মেনেই রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। ঠিকাদার সংস্থা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। যদিও পুরো ঘটনাটি জানার পর ইংরেজবাজার পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারপার্সন নিহার ঘোষ বলেন, প্রাক্তন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে টাকা চাওয়ার একটা অভিযোগ শুনেছি।
পাশাপাশি ওই কাউন্সিলর যে অভিযোগ করেছেন তার কোনো ভিত্তি নেই। সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করা হচ্ছে। ইংরেজবাজার পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের গৌড়রোড বাঁধ মোড় থেকে মালঞ্চপল্লী রেলগেট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা কাজ শুরু করেছে ইংরেজবাজার পুরসভা কর্তৃপক্ষ। এই কাজের জন্য একটি ঠিকাদারি সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। আর সেই কাজ নিয়েই এখন টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিপিএমের প্রাক্তন এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।
রাস্তার কাজে নিযুক্ত ঠিকাদারি সংস্থার এক কর্তা কৌশিক ঘোষ বলেন, সরকারি নিয়ম মেনে এই এলাকায় ম্যাস্টিভ রোড করা হচ্ছে। ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে এই রাস্তা তৈরির জন্য। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এলাকার সিপিএমের এক প্রাক্তন কাউন্সিলর কাজে বাধা দিয়ে আমার কাছে তিন লক্ষ টাকা কাটমানির দাবি করেছে। আমি সেই টাকা দিতে অস্বীকার করাতেই দলবল নিয়ে এসে এই রাস্তার কাজ করতে বাধা দেয়। তারই প্রতিবাদ করা হয়েছিল। সরকারি নিয়ম মেনে এই কাজ করা হচ্ছে।
ইংরেজবাজার পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারপার্সন নিহার ঘোষ বলেন , ম্যাসটিভ রোড তৈরি করতে গেলে আগুনের প্রয়োজন হয়। মানুষের চলাচলের সমস্যা যাতে না হয়, তারজন্যই অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাতেই ম্যাসটিভ রোড তৈরির কাজ চলছে। কিন্তু আমি শুনতে পেরেছি ওই ঠিকাদারি সংস্থার কাছে কাঠমানি চাওয়া হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা কোনভাবেই বরদাশ্ত করা যায় না। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রশাসনকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হবে।
Post a Comment