সাস্থ্য সাথী কার্ডের জন্য অপারেশ হলো - The News Lion

সাস্থ্য সাথী কার্ডের জন্য অপারেশ হলো

 


দি নিউজ লায়নঃ   রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যে কথা দেন সেই কথা রাখেন । বর্তমানে রাম ,বাম সবাই বলে বেড়াচ্ছেন সাস্থ্য সাথী কার্ড সব ভাওতা তাদের চোখ খুলে রেখে দেখা উচিত। সাস্থ্য সাথী কার্ড পাওয়ার পর একজন শয্যা শাহী থেকে ভালো হয়ে উঠছেন।  দুর্ঘটনায় বুকের বাঁ দিকের পাঁজরের হাড় ভেঙে যাওয়ার পর দীর্ঘ চিকিৎসা করেও শেষ পর্যন্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল অপারেশনের । বেসরকারি নার্সিংহোমে সেই অপারেশন করানোর জন্য প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল ৪১ হাজার ৫০০ টাকা । কিন্তু নদীয়ার বীরনগর দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা সঞ্জীব বিশ্বাস ও তার পরিবারের লোকজন এত টাকা জোগাড় করবেন কি করে ? 


নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে মানুষ করেন সঞ্জীব বিশ্বাস । বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধ বাবা বাসুদেব বিশ্বাস । যদিও কিছুদিন আগেই দুয়ারে সরকার শিবির থেকে তারা পেয়েছেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড। আর সেই কার্ডের মাধ্যমে বেসরকারি নার্সিংহোম থেকে বিনামূল্যে অপারেশন করাতে পেরেছেন তারা । সঞ্জীব বিশ্বাস জানিয়েছেন,' আমি একটা দিন কাজের পরে বাড়ি ফিরছিলাম । রাস্তায় হঠাৎ একটি মোটর বাইক আমাকে ধাক্কা মারে । আমার বুকের বাঁ দিকে মারাত্মক লাগে । আমি রাস্তায় পড়ে যাই। এলাকার লোকজন আমাকে ধরে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যান। চিকিৎসকের কাছে যাই । 


এক্সরে করার পর ধরা পরে পাঁজরের হাড় ভেঙে গিয়েছে। অপারেশন করানোর প্রয়োজন হয়ে পড়ে। রানাঘাটের আইসতলার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে আমাকে অপারেশনের জন্য ৪১ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করে । যদিও স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে বিনামূল্যে আমি অপারেশন করাতে পেরেছি । বাড়ি ফেরার সময় আমাকে ২০০ টাকা হাতে দেওয়া হয়েছিল । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া ওই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড আমাকে এযাত্রা বাঁচিয়ে দিল । ওনার এই উপকার ভুলব না ।' সঞ্জীব বিশ্বাসের বাবা বাসুদেব বিশ্বাস স্পষ্টই জানিয়েছেন,' এই কার্ড বাংলার প্রত্যেকটা মানুষের উপকারে আসবে । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়ে যে উপকার করেছেন, তাতে তাকে অজস্র ধন্যবাদ জানাই ।'

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.