বাড়িতে গিয়ে উপভোক্তার হাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড
দি নিউজ লায়নঃ স্নায়ু রোগে আক্রান্ত এক গৃহবধূর বাড়িতে গিয়ে তাড়াতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলেছিল সরকারি আধিকারিকরা। জানা গেছে দিন ১৫ আগে উলুবেড়িয়া কালিনগরের বাসিন্দা আইসন বেগম স্নায়ু রোগের আক্রান্ত হয়। তিনি চলা ফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলেন। স্ত্রীর এই অবস্থা দেখে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে পেশায় দিনমজুর আশরাফ আলীর।
বিনা পয়সায় স্ত্রীর চিকিৎসা করার জন্য ছুটে যান স্থানীয় কালিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের দুয়ারে সরকার শিবিরে। কিন্তু শিবিরে গিয়েও সমস্যায় পড়েন তিনি। আধিকারিক জানান স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করতে গেলে তার স্ত্রীর আঙ্গুলের ছাপের প্রয়োজন। কিভাবে স্ত্রীকে শিবিরে নিয়ে আসবেন সেই চিন্তায় ঘুম উড়েছিল দিনমজুর আশরাফের। অবশেষে আশরাফের চিন্তা দূর করতে সোমবার রাতে তার বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে তার হাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলে দেন সরকারি আধিকারিকরা। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল আশরাফ আলী।
আশরাফ আলী জানান ১৫ দিন আগে স্ত্রীর স্নায়ু রোগের সমস্যা ধরা পড়ার পর সে চলাফেরার শক্তি হারিয়ে ফেলে। কলকাতার নামী সরকারি হাসপাতালে স্ত্রীকে নিয়ে গিয়ে এমআরআই করানোর পর চিকিৎসার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। স্ত্রীকে ভালো জায়গায় নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর জন্য স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের সুযোগ নেয়ার জন্য ছুটে গিয়েছিলাম দুয়ারে সরকার শিবিরে।
যদিও শিবিরে স্ত্রীকে আনতে হবে শুনে হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। পরে অবশ্য কালিনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান উত্তম দাস, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মহিদুল ইসলাম, ও কালিনগর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি সেলিম মোল্লার উদ্যোগে সরকারি আধিকারিকরা আমার বাড়িতে এসে স্ত্রীর হাতে তুলে দেয়। তিনি বলেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হাতে পেয়ে নিজেকে অনেকটা নিশ্চিন্ত মনে হচ্ছে। তিনি বলেন এখন বিনা পয়সায় স্ত্রীর ভালো জায়গায় চিকিৎসা করাতে পারবো।

Post a Comment