রাজীবের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তৃণমূল নেতা কল্যান - The News Lion

রাজীবের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন তৃণমূল নেতা কল্যান

 


দি নিউজ লায়নঃ   প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ব্ল্যাকমেইল করছেন। তিনি দলের ক্ষতি করার পাশাপাশি বিজেপিকে সাহায্য করছেন। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এমনই ভাবে তোপ দাগলেন হাওড়া জেলা পরিষদের মেন্টর তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ ঘোষ। 


  কল্যাণ ঘোষের দাবি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ ও মুখোশ আলাদা। তিনি লোককে বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি দলের বিরুদ্ধে কথাা বলে দলকে ব্ল্যাকমেল করছেন। যদি হিম্মত থাকত তাহলে ২০১৮ সালে চলে যেতে পারত। অভিযোগ ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ডোমজুড় এলাকা থেকে হাওড়া জেলা পরিষদে তৃণমূল প্রার্থী কল্যান ঘোষের বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করিয়ে কল্যান ঘোষকে হারিয়ে নির্দল প্রার্থীকে জিতিয়েছিলেন রাজীব বন্দোপাধ্যায়।  তিনি অভিযোগ করেন দলীয় প্রার্থী আমাকে হারানোর পর দল যখন মন্ত্রী থেকে তাকে সরিয়ে দিলো তখন সরে যেতে পারত। তা না করে হাতে পায়ে ধরে লালবাতির গাড়ির জন্য মন্ত্রী থেকেছিলেন। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মমতাময়ী বলে ওকে অন্য মন্ত্রীত্বে রেখেছিলেন। কাজ করার সুযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কাজ না করে হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের শক্তিক্ষয় করার চেষ্টা করেছিলেন উনি।


 কল্যাণ আরো বলেন, এখন ফাঁদে পড়েছে। এমন কিছু করেছে যাতে অন্য জায়গায় পা বাড়াতে হচ্ছে। তাই বেসুরো গাইছেন। এলাকার আঞ্চলিক নেতাদের বলছে আমার সঙ্গে থাকতে। আমার সঙ্গে বিজেপি করতে হবে। যদিও লোকেরা ওর সঙ্গে থাকতে চাইছে না। কল্যানের দাবি রাজীব ডোমজুড়ের দাঁড়াক না গো হারান হারাবো। তার আরও অভিযোগ সেচমন্ত্রী হওয়ার পর উনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে বেশি সচেষ্ট ছিলেন। যেন মমতার তৃণমূল আর থাকবে না। যারা রক্ত ঝরিয়ে দল কে প্রতিষ্ঠাাা করেছিল তাদেরকেই কোনঠাসা করতে লাগলেন। প্রতিবাাদ যারা করেছে পুলিশকে দিয়ে তাদেের কেস দিয়েছেন, মারধর করিয়েছেন। এলাকায় নিজের পছন্দমত লোকেদের নিয়ে দল তৈরি করেছেন। 


কল্যান বলেন মন্ত্রী রাজীববাবু সেচ মন্ত্রী থাকাকালীন বালি থেকে রাজ্যের কোষাগারে রাজস্ব সবচেয়ে কমে যায়। বালি মাফিয়াদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এই অবস্থা হয়েছিল। সেজন্য বালি রয়েলটি সেচ দপ্তরের হাত থেকে সরিয়ে ল্যান্ডের হাতে দিয়েছিলেন। উন্নয়নমূলক কাজের প্রসঙ্গে কল্যাণ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতা, পদ দিয়েছিলেন বলে তিনি কাজ করতে পেরেছিলেন। কোন ব্যক্তিগত কারিশমা নেই বলেই মন্তব্য করেন করলেন। স্বজনপোষণেরও অভিযোগ তুলেন করলেন তিনি। কল্যান বলেন নিজের লোকেদের পার্মানেন্ট চাকরি দিয়ে ডোমজুড়ের কয়েকটি ছেলেকে কন্ট্রাকচুয়াল চাকরি দিয়েছেন। মাত্র সাড়ে ন' বছরে বেকার ছেলেদের কথা ভাবার সময় পেলেন না। সেচ দপ্তরের কাজের থেকে প্রচার হয়েছে বেশি বলেও কল্যাণের মত।


কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.