যুদ্ধের শেষ ধাপে পৌঁছে গিয়েছি আমরা টিকাকরনের পর মন্তব্য এম্বুলেন্স চালকের - The News Lion

যুদ্ধের শেষ ধাপে পৌঁছে গিয়েছি আমরা টিকাকরনের পর মন্তব্য এম্বুলেন্স চালকের

 


 দি নিউজ লায়নঃ  যুদ্ধের শেষ ধাপে পৌঁছে গিয়েছি আমরা টিকাকরনের পর মন্তব্য দার্জিলিং জেলার প্রথমসারি করোনা যোদ্ধা এম্বুলেন্স চালকের। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে প্রথমদিনে প্রথম কোভিশিল্ড ভ্যাক্সিন পরোখ করে দেখেন এম্বুলেন্স চালক অশোক রায়।ভ্যাক্সিনেটরি আধিকারিক যাবতীয় নিয়ম বুঝিয়ে দিয়ে ভ্যাক্সিন দেওয়ার নির্দিষ্ট আধঘন্টা বিশ্রামের পর তিনি বলেন ১১মাস কোনোরকম প্রতিরোধক ছাড়াই কঠিন লড়াই চলছিল। আজ মনে হচ্ছে অজানা শত্রুর বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর যুদ্ধের শেষ পর্যায়ের পৌঁছেছি।


 দার্জিলিং জেলার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে সংবর্ধিত করা হয় তাকে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রুগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান রুদ্রনাথ ভট্টাচার্য্য প্রথম ভ্যাক্সিন গ্রহণ করেন। চিকিৎসক স্ত্রীকে নিয়ে ভ্যাক্সিন নেন এই চিকিৎসক দম্পত্তি।দার্জিলিং জেলার পাহাড়ের দার্জিলিং জেলা হাসপাতাল, কার্শিয়াং স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও জেলার সমতলের উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল এবং  খড়িবাড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মিলে মোট পাঁচ কেন্দ্রে চলে প্রথম দিনের ভ্যাকসিনেশন। ভ্যাকসিনেশনের দায়িত্বে থাকা দার্জিলিং জেলা স্বাস্থ্য মুখ্য আধিকারিক তিন সংযুক্তা লিউ জানান উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৯৮জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বাকি জেলার সমস্ত কেন্দ্রে ১০০জনের টিকার টার্গের পূরণ হয়েছে। 


জেলাশাসক জানান অনেকেই নানা আতঙ্কে ভুগছেন তবে এদিন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী সাফাই কর্মচারী অনেকে টিকা নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের দীর্ঘ এই লড়াইয়ের প্রশংসা করেছেন।জেলা স্বাস্থ্য মুখ্য আধিকারিক ডাঃ প্রলয় আচার্য্য জানান পরবর্তীতে নির্দেশে মতো আরও ২১টি সেন্টার করে জেলায় ভ্যাকিনেশন দেওয়া হবে সপ্তাহে চারদিন। তবে প্রথম দিনেও কেন্দ্রের কো উউন এপ নিয়ে চালু হয়নি। কেন্দ্রের পোর্টাল গোলযোগের কারনে প্ৰথম দিন টিকাকরনেও ম্যানুয়ালি ডাটাবেস তৈরি করে টিকাকরন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বাধ্য হয় জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.