আলু লোপাট হওয়ার ঘটনায় ঝাড়খণ্ডের এক পরিবহণ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
দি নিউজ লায়নঃ আলু লোপাট হওয়ার ঘটনায় ঝাড়খণ্ডের এক পরিবহণ ব্যবসায়ীকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনা মেমারি থানার এলাকায়। ধৃতের নাম চিত্তরঞ্জন প্রসাদ। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের বিজ্ঞান বিহার কলোনিতে তার বাড়ি। পুলিস জানিয়েছে, কিছুদিন আগে মেমারি থানার পরিবহণ ব্যবসায়ী লালন চৌধুরির সংস্থার মাধ্যমে ভিন রাজ্যে ২৩ টন আলু পাঠান কিরণ সাউ। আলুর দাম প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। কিন্তু, আলু গন্তব্যে পৌঁছায় নি। এ নিয়ে লালন ঝাড়খণ্ডের পরিবহণ ব্যবসায়ী চিত্তরঞ্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। আলু বোঝাই গাড়ির চালক ও খালাসির ঠিকানা দেয় সে।
কিন্তু, সে আলুর লরির বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি। এরপর লালন ঝাড়খণ্ডে যান। সেখানে গেলে তাঁকে হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। ফিরে মেমারি থানায় বিষয়টি জানান লালন। থানা ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি সিজেএম আদালতে মামলা করেন। সিজেএম কেস রুজু করে তদন্তের জন্য মেমারি থানার ওসিকে নিের্দশ দেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস জেনেছে, চিত্তরঞ্জন ও তার কয়েকজন সঙ্গী আলু মাঝপথে বিক্রি করে দিয়েছে। একইভাবে মেমারি থানার হাটপুকুরের পরিবহণ ব্যবসায়ী সঞ্জয় মণ্ডলও বিহারে ৫৩২ বস্তা আলু পাঠান। সেই আলুও নিির্দষ্ট ঠিকানায় পৌঁছায় নি। তিনিও এনিয়ে আদালতে মামলা করেছেন। আদালত কেস রুজু করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
সোমবার বিকালে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল দক্ষিণ থানার গোপালপুর এলাকা থেকে পুলিস অভিযুক্তকে ধরে। যে লরিতে বোঝাই করে আলু পাঠানো হয়েছিল সেটি ধৃতের দেখানো জায়গা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিস। সেটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত বলে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে পুলিস। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। আলু উদ্ধারের জন্য এবং বাকি জড়িতদের হদিশ পেতে ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিস। ধৃতের ৫ দিনের পুলিসি হেফাজত মঞ্জুর করেন বিচারক।

Post a Comment