আবেদন করার দু'ঘণ্টার মধ্যেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পেলেন অসহায় দম্পতি
দি নিউজ লায়নঃ আবেদন করার দু'ঘণ্টার মধ্যেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পেলেন এক অসহায় দম্পতি। বৃহস্পতিবার দুপুরে বালুরঘাট জেলা প্রশাসনিক ভবনের অতিরিক্ত জেলা শাসক জিতিন যাদব ওই অসহায় দম্পত্তির হাতে স্বাস্থ্য স্বাথীর কার্ড তুলে দেয়। স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড পেয়েই আগামীকাল কোলের কন্যা সন্তানকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য দুর্গাপুরে রওনা দেবেন দম্পতি। দুয়ারে সরকার কর্মসূচি থেকে দ্রুত স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড পাওয়ায় খুশি তপনের ওই দম্পত্তি। জানা গেছে, হার্টের জটিল রোগের সমস্যায় ভুগছিলেন দুই মাসের ছোট্ট শিশু অনুষ্কা।
বালুরঘাট ও মালদায় চিকিৎসা করেও কূল পায়নি দিন আনা দিন খাওয়া ছোট্ট অনুষ্কার পরিবার। অবশেষে খোঁজ নেয় দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে। সেখান থেকে জেলা প্রশাসনিক ভবনে এসে আবেদনের দু'ঘণ্টার মধ্যেই মিলল স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড। সেই কার্ড নিয়েই ছোট্ট অনুষ্কাকে নিয়ে বাইরে চিকিৎসা করতে ছুটছে তাঁর পরিবার। এদিকে দু'ঘণ্টার মধ্যে স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড পেয়ে খুশি ওই পরিবার। তপন ব্লকের দ্বীপখন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের যশোরাই গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ বর্মণ। কৃষিকাজ করেই তার স্ত্রী ও বাবা মাকে নিয়েই সংসার চালান।
এবিষয়ে ছোট্ট অনুষ্কার বাবা বিশ্বজিৎ বর্মন বলেন, খুব কষ্টে আমাদের সংসার চলে। এই সময় মেয়ের অসুখ ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা বাইরে নিয়ে যেতে বলেছে। কিন্তু বাইরে নিয়ে গেলে এত খরচ কিভাবে মেটাব। তাই জেলা প্রশাসনিক ভবনে আজকে স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড পাওয়ার জন্য আবেদন জানাই। এখান থেকে দু'ঘন্টার মধ্যেই আমার হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে। এত তাড়াতাড়ি সরকারি সুবিধা পাওয়ায় জন্য খুব ভালো লাগছে। এখন আমার শিশুকে বাইরে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাচ্ছি। খুব তাড়াতাড়ি যেন ভালো হয়ে যায়। এবিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য সাথীর দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক রানু মন্ডল বলেন, ওই শিশুটি হার্টের জটিল রোগে ভুগছিলেন।
দুই মাসের সেই শিশুকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে কার্ডের ব্যবস্থা করে তুলে দিয়েছি। যাতে তার দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়। মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে যে কোন রোগীকেই সাহায্য করা হবে। অন্যদিকে এবিষয়ে অতিরিক্ত জেলাশাসক জেনেরাল জিতিন যাদব বলেন, আবেদনের পরে জেলা প্রশাসন রাজ্যস্তরে যোগাযোগ করে দু'ঘণ্টার মধ্যেই প্রদান করেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য সমস্ত রকম পরিষেবা মিলবে।

Post a Comment