শহুরে জীবন থেকে দু’দিনের ছুটি নিয়ে ঘুরে আসুন লাল জলের নদী আর সাতশো পাহাড়ে ঘেরা জঙ্গল থেকে
দি নিউজ লায়নঃ সারান্ডা ফরেস্ট, যা সাতশো পাহাড়ের দেশ এবং এশিয়ার বৃহত্তম শাল গাছের জঙ্গল। যে দিকে তাকাই, শুধুই পাহাড়। তাদের উচ্চতা কম, ঘন জঙ্গলে ঢাকা। এই বিস্তীর্ণ পাহাড়শ্রেণি ও জঙ্গলের বুক চিরে বয়ে গিয়েছে খরস্রোতা রক্তাভ কারো নদী। যা সৃষ্টি করেছে বিভিন্ন পাহাড়ের কোল থেকে নেমে আসা বিভিন্ন জলপ্রপাত। ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলা থেকে শুরু করে ওড়িশার কেওনঝাড় জেলা পর্যন্ত প্রায় ৮২০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত লৌহ আকরিকে সমৃদ্ধ লাল পাথুরে জমি, ঘন জঙ্গল, পাহাড় রাশি ও খরস্রোতা নদী মেশানো অঞ্চল।
এই জঙ্গল এক সময় মাওবাদীদের দখলে ছিল। এখন আর সে সমস্যা নেই। জঙ্গলে পশুপাখি অনেকই রয়েছে। কিন্তু জঙ্গলের পরিধি ও ঘনত্ব খুব বেশি হওয়ায় তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ার সুযোগ খুবই কম। বয়ে গিয়েছে কারো নদী। নদীর ওপারেই ঘন জঙ্গল। নদীর অনর্গল বয়ে চলার শব্দ মন ভাল করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। সেখানে গেলে মিনারেল ওয়াটারের বোতল রাখুন সঙ্গে। স্থানীয় জল সহ্য নাও হতে পারে।তবে জায়গাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের তুলনায় হয় না।
সারান্ডায় ঘুরতে যাওয়ার আদর্শ সময় অক্টোবর থেকে মার্চ। পাহাড়ি জায়গা বলে গরমকালে প্রচণ্ড গরম পড়ে এবং বর্ষাকালে এই কারো নদী হয়ে ওঠে ভয়ংকর। অন্য দিকে, শীতের রাতে প্রচুর ঠান্ডা পরে। তাপমাত্রা থাকে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি।
কী ভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে হাওড়া-বড়বিল জনশতাব্দী এক্সপ্রেসে বড়বিল স্টেশন। স্টেশন থেকে রিসর্ট পৌঁছতে সময় লাগে আধ ঘণ্টা মতো।

Post a Comment