পাঁশকুড়াতে কোটি টাকা ব্যায়ে তৈরী হচ্ছে তারাপীঠের ধাঁচে মন্দির
দি নিউজ লায়ন ; পাঁশকুড়ায় দ্বিতীয় তারাপীঠ! বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে মন্দির। তারামার আদলে সেই মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করা হবে দেবী মূর্তি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নতুন বছরের জানুয়ারি মাসেই সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে যাবে মন্দিরের দ্বার। আপাতত শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ব্লকের চকগোপাল গ্রামে গ্রামবাসীদের উদ্যোগে বিশাল কর্মকান্ডে শুরু হয়েছে।
তারাপীঠের আদলে গড়ে উঠছে মন্দির।সেখানে তারা পীঠের আদলে তৈরী হবে প্রতিমাও। আগামী ১২ জানুয়ারী থেকে তা ভক্তদের জন্যে খুলে দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে চকগোপাল গ্রাম সহ পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের সহযোগীতায় এবং স্থানীয় এলাকার বেশকিছু মানুষ যারা কর্মসূত্রে পুনে সহ ভিনরাজ্যে কাজে গেছেন,তাদের সহযোগীতা পেয়ে প্রায় ৬ একর জায়গা নিয়ে নির্মান হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তারা মায়ের মন্দির।
সব মিলিয়ে প্রায় ৯০ ফুট উচ্চতায় বিশিষ্ট মন্দির,দর্শনার্থীদের ৫১ টি সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হবে তারা মায়ের দর্শন পেতে। কমিটির কর্মকর্তারা জানান,মায়ের রূপ হবে অবিকল তারাপীঠের দেবীর আকৃতির মতোই কষ্ঠিপাথর ও রুপোয় মোড়া।কমিটির পক্ষ থেকে এও জানানো হয়,খুব শীঘ্রই মন্দিরের পাশে সাধক বামাখ্যাপার আশ্রম সহ পুকুর করা হবে। অন্যদিকে পরিকল্পনা রয়েছে বৃদ্ধাশ্রম করার।
সব মিলিয়ে কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করে আগামী ১২ জানুয়ারী সাধারন দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে মন্দির।কমিটির অন্যতম সদস্য হৃষিকেশ চক্রবর্তী জানান,গ্রামবাসীদের একটাই পরিকল্পনা,অনেক মানুষ আছেন যারা আর্থিক অভাবে কিংবা অন্যান্য কোন কারনে দূরবর্তী তারাপীঠে যেতে পারেনি বা পারছেন না তাদের কাছে কিছুটা হলেও তারামায়ের দর্শন পেয়ে কিছুটা স্বাদ আস্বাদন পাবেন ভক্তরা।
তবে পাঁশকুড়া ব্লকের এই চকগোপাল গ্রাম যেতে গেলে দর্শনার্থীদের মেছোগ্রাম থেকে ঘাটাল রাস্তায় যশোড়া বা খুকুড়দহ স্টপেজে নামতে হবে।এরপর যশোড়া কালীবাজার থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা চকগোপাল।সবমিলিয়ে এই মুহুর্তে দিনরাত এককরে চলছে মন্দিরের কাজ।আগামী ৭ জানুয়ারী থেকে ১৬ জানুয়ারী পর্যন্ত চলবে বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠান। এখন শুধু দ্বিতীয় তারাপীঠের স্বাদ গ্রহন করতে শুধু বাকি আর কিছু সময়।

Post a Comment