তোলাবাজ ভাইপো হাটাও" বিজেপিতে যোগদান করে হুংকার শুভেন্দুর - The News Lion

তোলাবাজ ভাইপো হাটাও" বিজেপিতে যোগদান করে হুংকার শুভেন্দুর




দি নিউজ লায়ন ;   অবশেষে বহু জল্পনা কাটানোর পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে মেদিনীপুর শহরের কলেজ মাঠে জনসভায় বিজেপিতে যোগদান করলেন শুভেন্দু অধিকারী, এদিন যোগদান করার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলার পাশাপাশি, তিনি  তোলাবাজ ভাইপো হটাও বাংলা বাঁচাও এই শ্লোগানকে হাতিয়ার বানিয়ে আগামী দিন থেকে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কোমর বেঁধে লড়াই করতে নামছে শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত বেশ কয়েক মাস ধরে তৃণমূল দল থেকে অনেকটাই দূরে সরে গিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারী।


অবশেষে মন্ত্রিত্ব সহ তার সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দল ত্যাগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী।এইদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন যেখানে আত্মসম্মান নেই সেখানে থাকা উচিত নয়, কারণ যে দলের সাথে ২১ বছর ধরে কর্মী হিসাবে কাজ করে আসছি আমি যখন মহামারী ভাইরাসে আক্রান্ত হই তখন ওই দলের কোন ব্যক্তি আমার খোঁজ নেননি। বরং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাকে ফোন করে তার শারীরিক বিষয় নিয়ে দুইবার খোঁজখবর নিয়েছেন।


তিনি আরো বলেন এক তৃণমূল ঘনিষ্ঠ নেতা তাকে এক ভিডিও পাঠিয়েছেন যেখানে স্পষ্ট ভাবে আমি বলছি বিজেপি হটাও দেশ বাঁচাও তার পরিপ্রেক্ষিতে আমি তাকে লিখলাম ভাই এটা দেখে বুঝতে হবে আমি যে দলের হয়ে কাজ করি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করি।


এই দিন বিজেপিতে যোগদান করে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব থেকে শুরু করে জেলা নেতৃত্বে প্রসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক সাফল্যের কথা তিনি তুলে আনলেন, অন্যদিকে বহিরাগত প্রসঙ্গে কার্যত মুখ খুললেন শুভেন্দু অধিকারী, তিনি বলেন কেউ বহিরাগত নয় আমরা ভারতবাসী,এদিন তিনি আরো বলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী না থাকলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনো  বাড়ির বাইরে বের হতে পারতেন না, এদিন বিভিন্ন রাজ্য নেতা থেকে শুরু করে ব্লক নেতৃত্বর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আমি বিজেপিতে যোগদান করে কখনো ভাববেন না আমি মাতব্বরি করতে এসেছি, আমি একজন কর্মী হিসেবে আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই। 


পতাকা লাগাতে চাই ,দেওয়াল লিখন করতে চাই, কারণ আমি ছাত্র নেতা থেকে শুরু করে রাজনীতি শুরু করেছি। সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে আমি উপরে উঠেছি। আমি আপনাদের সাথেই একই সঙ্গে কাজ করতে চাই, তিনি আরো বলেন ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে ১৫ ঘন্টা বুথে বুথে গিয়ে বৈঠক করব, কারণ দিল্লীতে যে পার্টি থাকবে কলকাতায় সেই পার্টিই হোক তাহলে এই বাংলার উন্নতি হবে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.