উত্তরের বিধ্বস্ত পর্যটন শিল্পকে পুনরূজ্জীবিত করতে একমাত্র ভরসা মুখ্যমন্ত্রী
দি নিউজ লায়নঃ উত্তরের বিধ্বস্ত পর্যটন শিল্পকে পুনরূজ্জীবিত করতে একমাত্র ভরসা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের তরফে গাড়ির ট্যাক্স পেনাল্টি রিলিফ ও আর্থিক প্যাকেজের সহায়তার আশ্বাসেই ভরসায় বুঁক বাঁধছে পর্যটন ব্যবসায়িরা।পর্যটনকে বাঁচাতে কেন্দ্রের অবদান শূন্য। বিগত আট-নয় মাস করোনার জেরে বিপর্যস্ত উত্তরের পর্যটনশিল্প। পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে যুক্ত লক্ষাধিক মানুষের দিন কাটছে দুর্বিষতায়। করোনা কালে সর্বাধিক বিপর্যস্ত শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কেন্দ্রের তরফে কোনো আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়নি এখনও পর্যন্ত।
যার জেরে রাজ্যগুলিকেও সেক্ষেত্রে বাড়তি পদক্ষেপ নিতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে এবারে মৃতপ্রায় পর্যটন ব্যবসায় প্রাণ সঞ্চার করতে সঞ্জীবনী সুধার ভূমিকায় রাজ্য। পর্যটন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে রাজ্যের তরফে ইতিমধ্যেই গাড়ির পেনাল্টি ট্যাক্স মুক্ত ও বড় আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই পেনাল্টি ট্যাক্স রিলিফ ও আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণার সম্ভাবনা প্রাণ সঞ্চার করছে দুশ্চিন্তায় ঘুম কাড়া পর্যটনব্যবসায়ীদের মাঝে। শুক্রবার শিলিগুড়িতে পর্যটন ব্যবসায়ি সংগঠন এইচটিডিএনের তরফে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়।
সেখানে পর্যটন ব্যবসায়ীর রাজ বসু জানান- পর্যটন ব্যবসা মাইনাস ৭০-৭২ শতাংশ মন্দায় চলছে। মার্চ থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পাহাড় বন্ধ থাকার সময়কালে নিত্য দিন ৯কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে শুধুমাত্র হোটেল ব্যবসায়ীরা।শুধু লকডাউনের সময়কালে ২১কোটি টাকার ক্ষতি গুনতে হয়েছে পর্যটন ব্যবসার ক্ষেত্রে। একাধিকবার কেন্দ্রকে জানানোর পরও কোনো পদক্ষেপ কেন্দ্রের তরফ থেকে নেওয়া হয়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। সংগঠনের সদস্যরা জানান বেশকিছুদিন আগে পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেবকে গাড়ির ট্যাক্স পেনাল্টি ছাড়ের বিষয়ে ও আর্থিক প্যাকেজের আবেদন জানাই। তিনি পুরো বিষয়টিই সহানুভূতির সঙ্গে দেখে রাজ্যের সঙ্গে কথা বলেন।
আর্থিক প্যাকেজের বিষয়টিও সহমর্মিতার সঙ্গে দেখেন তিনি। বর্তমানে প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি সঙ্গে আমাদের কথা হয় এবং রাজ্যের তরফে গাড়ির পেনাল্টি ট্যাক্স মুক্ত ও আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার করা হবে বলে জানতে পারি। মুখ্যমন্ত্রী পদক্ষেপ পর্যটন ব্যবসায়িদের কাছে অবদান। তার সাফ জানিয়ে দেন রাজ্য পাশে না দাঁড়ালে উত্তরবঙ্গ সিকিম পর্যটন সেক্টরের ৪০শতাংশ মানুষকে নিজেদের পেশা পরিবর্তন করতে হতো। সেখানে কেন্দ্র ট্যুর ডেস্টিনেসনের প্রচারে সহায়তা ছাড়া আর কোনো ভূমিকাই নেয়নি।

Post a Comment