সহায়ক মূল্য ২৫ টাকা কিলো দরে আলু বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলো মালদায়
দি নিউজ লায়ন ; করোনা আবহের মধ্যে হঠাৎ করে আলুর দাম আকাশছোঁয়া। ৪০ টাকা কিলো দরে বিক্রি হচ্ছে আলু। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সহায়ক মূল্য ২৫ টাকা কিলো দরে আলু বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলো মালদায়। বুধবার সকালে মালদা শহরের মকদুমপুর এলাকায় বঙ্কিমচন্দ্র পুরো মার্কেটের সামনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়ক মূল্য আলো বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
সেখানেই এদিন সকাল থেকেই আলু কেনার জন্য সাধারণ ক্রেতাদের লম্বা লাইন পড়ে যায়। অধিকাংশ ক্রেতাদের ১০০ টাকা দিয়ে চার কিলো আলু কিনতে দেখা গিয়েছে। ক্রেতাদের বক্তব্য, আলুর দাম নিয়ে একাংশ বিক্রেতা এবং পাইকারেরা কালোবাজারি করছে। কোথাও ৪০ টাকা আবার কোথাও ৪৫ টাকা কিলো দরে বিক্রি হচ্ছে আলু।
মানুষের স্বার্থের কথা ভেবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৫ টাকা কিলো দরে আলু বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ,এটা খুব ভালো কথা। কিন্তু তারপরও যেসব জায়গায় আলুর দর নিয়ে কালোবাজারি করা হচ্ছে, সেইসব বাজারে প্রশাসনের কর্তাদের তদারকি চালিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষি বিপণন দফতরের উদ্যোগে বুধবার থেকে মালদা শহরে সহায়ক মূল্য ২৫ টাকা কিলো দরে আলু বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যদিও এদিন নির্ধারিত মূল্যের আলু নেওয়ার জন্য প্রতিটি খদ্দেরদের মাথাপিছু চার কিলো করেই বরাদ্দ করা হয়। সকাল থেকে ছিল আলু কেনার জন্য সাধারণ মানুষের লম্বা লাইন। কৃষি বিপনন দপ্তরের জেলার এক কর্তা জানিয়েছেন , এবছর আলুর উৎপাদন অনেকটাই কম হয়েছে। বর্ষার কারণে আলুর ফলনে মার খেয়েছে। ফলে আলুর দাম বেড়েছে। সেই পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রেখে সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য ২৫ টাকা কিলো দরে বিভিন্ন এলাকায় আলু বিক্রি করা হচ্ছে। সরকারি গাড়ি শহরের বিভিন্ন হাট-বাজারে গিয়ে ক্রেতাদের মাথাপিছু চার কিলো করে আলু বিক্রি করছে।
ইংরেজবাজার পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারপার্সন তথা বিধায়ক নিহার ঘোষ বলেন, আলু নিয়ে যদি কোথাও কোনো রকম কালোবাজারি করা হয়, তা কোনোভাবে বরদাস্ত করা হবে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়ক মূল্যে আলু বিক্রির যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে , তাকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। পুরসভাও এব্যাপারে সমস্ত রকম ভাবে সাহায্য করার উদ্যোগ নিয়েছে।
পাশাপাশি মালদা শহরে বিভিন্ন হাট-বাজারেও পৌরসভার পক্ষ থেকে তদারকি করে দেখা হচ্ছে। আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসনেরকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র জানিয়েছেন , সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে আলু বিক্রি করা হচ্ছে। পুজোর আগে থেকেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

Post a Comment