ছট ঘাটে রেলিং হাঁকালেন অশোক - The News Lion

ছট ঘাটে রেলিং হাঁকালেন অশোক




দি নিউজ লায়ন ;   ছট ঘাটে  রেলিং হাঁকালেন অশোক। শিলিগুড়ি পুর নিগমের প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান অশোক ভট্টাচার্য্যকে ঘিরে বিক্ষোভ ছট ভক্তদের। অভিযোগ অবাঙালি ছট ভক্তরদের আবেগে আঘাত হেনে তাদের কৃষ্টিতে বাধা দিচ্ছেন অশোক বাবু। সত্ত্বর সেই রেলিং সরিয়ে ছট পুজোর ব্যবস্থা করে দিতে হবে দাবি জানালো তৃণমূল।  


সম্প্রতি মহানন্দার সৌন্দয্যায়নের নামে শিলিগুড়ি মহানন্দা মৌলিক ছট ঘাটের জায়গায় রেলিং দিয়ে ঘিরে দিয়েছেন অশোক বাবু। এসজেডিয়ে, ছট ভক্তদের সঙ্গে কোনোরকম কথা না বলে এই কাজ করেন অশোকবাবু। দীর্ঘসময় যাবৎ এই ঘাটেই পুজো করেন শহরের অধিকাংশ ছট ভক্তরা। আর এই রেলিংয়ের জেরে ছট পুজোর ক্ষেত্রে  বিরাট সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে অগণিত ছট ভক্তদের। 


এক কথায় অশোক বাবুর জেদের কাছে পাল্টে ফেলতে হচ্ছে ছট পূজার রীতিনীতি। অশোকবাবুর মন্তব্য রাস্তা থেকে দাঁড়িয়ে পুজো করুন। রেলিং সরানো যাবে না। এই বিষয়ে একাধিকবার অশোক বাবুর দ্বারস্থ হয়েছেন ছটভক্তরা।কিন্তু পুজো এগিয়ে এলেও রেলিং সরানোর বিষয়ে কোনো হেলদোল নেই  অশোক বাবুর। তার রেলিং গ্রীন ট্রাইব্যুনালের  নিয়ম মেনে দেওয়া হয়েছে। 


ছট ভক্তদের মধ্যে থেকে শ্রী শ্রী ছট পুজা সূর্য সমিতির তরফে রাজেশ গুপ্তা জানান রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুজো করতে হবে এমন আশ্চর্যজনক মন্তব্য করে ছটব্রতীদের আবেগকে আঘাত করছেন পুরনিগমের চেয়ারম্যান অশোক ভট্টাচায্য। রেলিং থেকে নদীর দূরত্ব কোথাও ১২ফিট কোথাও ১৮ফিট সেভাবে পুজো করা সম্ভব নয়। এদিকে গ্রীন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুসারে নদীতেও ঘাট গড়া সম্ভব নয়। রাজু গুপ্তা বলেন রেলিং না সরালে এক একজন ভক্তকে ৪০০-৫০০মিটার ঘুরে যেতে হবে যা পুজোর সময়সূচির মধ্যে কখনই সম্ভব নয়। 


বুধবার সকাল নাগাদ পুর চেয়ারম্যান অশোক ভট্টাচার্য্য নদী ঘাট পরিদর্শনে পৌঁছতেই তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে লাগেন  ছট ভক্তরা। অশোকবাবুকে ঘিরে নিজেদের সমস্যার কথা বলে রেলিং সরানোর দাবি করতে লাগেন তারা। বিক্ষোভের মুখে পড়ে অশোকবাবু তাদের কোনো কথার কর্ণপাত না করে, মুখ ফিরিয়ে গাড়িতে চেপে সেখান থেকে ফিরে আসেন। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে ছটভক্তরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছান এসজেডিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান নান্টু পাল ও দার্জিলিং জেলা তৃনমূল সভাপতি রঞ্জন সরকার। 


এসজেডি ভাইস চেয়ারম্যান নান্টু পাল বলেন এসজেডিয়ের তরফে ১০টি ছটঘাট করে দেওয়া হবে তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অবাঙালিদের একটা বড় অংশ এই ছট ঘাটে পুজো করে আসছে তাদের সঙ্গে কোনোরকম আলোচনা না করে রেলিং দিয়ে ঘাট আটকে দিয়েছেন তা একেবারেই ঠিক নয়।এমনকি সাধারণ মানুষ সমস্যায় রয়েছে তারা জবাব চাইলে কোনো কথা না বলে গাড়িতে চেপে চলে যাচ্ছেন তিনি।


দার্জিলিং জেলা তৃনমূল সভাপতি রঞ্জন সরকার বলেন রেলিং সরাতে হবে অশোকবাবুকে। ছট ভক্তদের পুজোর ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা তৈরি করা যাবে না। সত্ত্বর রেলিং সরানোর আবেদন জানানো হবে তৃণমূলের তরফে পুরনিগমে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.