সমুদ্র সৈকতে নেই পর্যাপ্ত পর্যটক, কক্সবাজারের ঝিনুক ব্যবসায়ীদের চলছে চরম দুর্দিন
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ; লকডাউন তুলে দেয়া হলেও বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নেই আশানুরূপ পর্যটক। পর্যটক না আসায় হাসি ফুটছে না ঝিনুক ব্যবসায়ীদের। এতে ঝিনুক ব্যবসায়ীদের চলছে চরম দুর্দিন। অনেকে দোকান ও বাসা ভাড়া দিতে না পেরে ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছেন।
জানা যায়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে স্থায়ী শামুক-ঝিনুক ব্যবসায়ী আছেন ৯৬ জন। আর ভাসমান কার্ডধারী আছেন ৬৭৫ জন। সবার অবস্থা প্রায় একই। লকডাউনের আগে সারা বছর ঝিনুক পণ্য ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা গড়ে বিক্রি হয়েছে দোকানদারদের। লকডাউনের সময় সব ব্যবসা ও দোকানপাট ছিল বন্ধ।
কক্সবাজারে স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়াও ঢাকা, কুমিল্লা, রাজশাহী, খুলনা অঞ্চল থেকে এসে অনেকে শামুক-ঝিনুক ব্যবসা করছেন দীর্ঘদিন ধরে। কক্সবাজারে এসে ভাড়া বাসায় থাকেন।
সৈকত ঝিনুক শিল্প বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি আনোয়ার উল্লাহ বলেন, আমাদের ব্যবসা হচ্ছে পর্যটক নির্ভর। পর্যটক না থাকলে ব্যবসা হয় না। এদিকে করোনার কারণে পর্যটক আসছে খুবই সীমিত। যে কারণে দোকান খোলা রাখতে হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু ব্যবসা হচ্ছে না। বর্তমানে গড়ে বেচা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২- ৩ হাজার টাকা।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ছাড়াও ইনানী, হিমছড়িতে থাকা শামুক- ঝিনুক ব্যবসায়ীদের অবস্থাও একই। সেখানে প্রায় শতাধিক শামুক-ঝিনুক ব্যবসায়ী রয়েছে। ভাসমান ব্যবসায়ীরা দৈনিক কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা শামুক-ঝিনুক বিক্রি করতো। এখন তারা ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকার মালামাল বিক্রি করছে।
অনেকে দোকান ও বাসা ভাড়া দিতে না পেরে ব্যবসা বন্ধ করে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা।

Post a Comment