গর্ভবতী অবস্থার একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন অঙ্কিতা - The News Lion

গর্ভবতী অবস্থার একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন অঙ্কিতা



 খুব শীঘ্রই মা হতে চলেছেন অঙ্কিতা  অঙ্কিতা মজুমদার পাল। আর তাই বাড়ির সকলেই হবু মায়ের অতিরিক্ত যত্ন করছেন, খেয়াল রাখছেন।  আর সেটা আমার খুব ভালো লাগছে।” হাসতে হাসতে জানান অঙ্কিতা। তবে ডেলিভারি ডেট অনেকটাই এগিয়ে এসেছে। শরীর খুব একটা ভালো নেই। নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলছেন অঙ্কিতা। তবে এই সময়ে খুব মুড সুইং হচ্ছে অভিনেত্রীর।



 তিনি বলছেন, “আমি বরাবরই মুডি।  মুড সুইং আগেও হতো। কিন্তু প্রেগনেন্সির মুড সুইং খুব খারাপ অভিজ্ঞতা। কারণ লকডাউনে মুড সুইং ভালো করার মতো কিছু করার নেই। লকডাউন শুরুর আগে গুয়াহাটিতে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন। কিন্তু লকডাউনের কারনে আর ফেরা হয়নি। তারমধ্যে এখানে আমার কোনও বন্ধু নেই। সবকিছু থেকে বঞ্চিত এখানে এসে। ঘরবন্দি হয়ে গিয়েছে। এখানে এতই কড়াকড়ি সৌমিত্রও (অঙ্কিতার স্বামী) গাড়ি নিয়ে যে আমায় বেরোবে তার উপায় নেই। তাই মুড সুইং এর খারাপ প্রভাব পড়ছে।” 




কেমন ভাবে মুড সুইং হয়, তাও হাসতে হাসতেই জানালেন অঙ্কিতা। তিনি বলছেন, “কখনও মনে হলো একটু ড্রয়িং করি। তার পরে মনে হলো থাক এখন ঘুমোই, উঠে ড্রয়িং করব। কিন্তু ঘুম থেকে উঠে আর ড্রয়িং করতে ইচ্ছে করল না। তখন উকুলেলে বাজাতে বসলাম। আবার হঠাৎ মনে হলো আরে সৌমিত্র তো আজ একবারও জিজ্ঞাসা করল না কেমন আছি। তখনই সৌমিত্র সঙ্গে গিয়ে একটু ঝগড়া করে এলাম। ও বেচারা অবাক হয়ে যায়। তার পরে নিজেই ভাবতাম কী করছি! নিজেরও মন খারাপ হচ্ছে। সৌমিত্রকেও কাজের মধ্যে গিয়ে কথা শুনিয়ে দিচ্ছি।”  এই ধরনের মুড সুইং থেকে বেরনোর জন্য সদগুরুর ভিডিও দেখা শুরু করেন অঙ্কিতা। সৌমিত্রই তাঁকে এই ভিডিও দেখার পরামর্শ দেন।



গর্ভবতী অবস্থায় খাওয়া দাওয়া নিয়েও বাড়ির লোকজন অতিরিক্ত খেয়াল রাখছেন। অঙ্কিতা বলছেন, “বাড়িতে খাওয়া দাওয়া নিয়ে এখন খুব রেস্ট্রিকশন। যেমন প্রতি সপ্তাহে শ্বশুরমশাই একটা বা দুটো করে রুই মাছের মাথা খেতে দেবেন। কারণ রুইয়ের মাথা খেলে বাচ্চার ব্রেন ভালো হয়। অথবা যে শাক খেলে রক্ত হয়, সেই শাকটা নিয়মিত খেতে হবে। এই খাবারগুলি মাঝেমধ্যে বিরক্তি লেগেছে। ভালো না লাগলেও খেতে হচ্ছে। তারপরে কখন বেশি রেস্ট নেব, বা কখন একটু হাঁটব সেগুলিও আমায় বলে দেওয়া হচ্ছে। আসলে এরকম আমি কখনওই ছিলাম না। সব সময়ে নিজের মতো চলতাম। তাই এটা একটা নতুন অভিজ্ঞতা।”  এর পরে গর্ভবতী অবস্থার একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন অঙ্কিতা। অভিনেত্রী বলছেন, “যখনই মুড সুইং হতো, মন খারাপ হতো বা একা লাগত, আমি বেবির সঙ্গে কথা বলতাম। 

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.