ভয়ঙ্কর ‘সৌর কলঙ্কের’ দেখা মিলল মহাকাশে
ভয়ঙ্কর ‘সৌর কলঙ্কের’ দেখা মিলেছে মহাকাশে। বিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম এআর২৭৭০। ৫০ হাজার কিলোমিটার ব্যাসের এই সৌর কলঙ্কের দরুন সৌর ঝড়ের সম্মুখীন হতে পারে পৃথিবী। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বেতার পদ্ধতি, প্রভাব পড়তে পারে জিপিএসে, লন্ডভন্ড হয়ে যেতে পারে বৈদ্যুতিক গ্রিড থেকে উপগ্রহ।
কী এই সৌর কলঙ্ক?
সৌর কলঙ্ক হলো সূর্যের বুকে থাকা অন্ধকার অংশ। যা সূর্যের অন্যান্য অংশ থেকে শীতল। এর মধ্যে থাকে ইলেকট্রিক চার্জ যুক্ত গ্যাস, যেখান থেকে সৃষ্টি হয় চৌম্বকীয় তরঙ্গ। এবং এই বিষয়গুলি নির্ধারিত হয় সৌর চক্রের মাধ্যমে।
সৌর কলঙ্ক হলো সূর্যের বুকে থাকা অন্ধকার অংশ। যা সূর্যের অন্যান্য অংশ থেকে শীতল। এর মধ্যে থাকে ইলেকট্রিক চার্জ যুক্ত গ্যাস, যেখান থেকে সৃষ্টি হয় চৌম্বকীয় তরঙ্গ। এবং এই বিষয়গুলি নির্ধারিত হয় সৌর চক্রের মাধ্যমে।
সোলার ফ্লেয়ার কী?
সৌর কলঙ্কে চৌম্বক তরঙ্গের পরিবর্তনের ফলে তৈরি হয় সোলার ফ্লেয়ার যেখান থেকে দানা বাঁধতে পারে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। যা তছনছ করে দিতে পারে পৃথিবীর বেতার পদ্ধতি। সোলার ফ্লেয়ারের শক্তি হিরোসিমা, নাগাসাকি বিস্ফোরণের ‘লিটল বয়ের’ এক ট্রিলিয়ন গুণ বেশি হতে পারে।
কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পৃথিবী?
যদি সৌর কলঙ্কটি অধিক মাত্রায় শক্তি ছাড়ে তাহলে সোলার ফ্লেয়ার এবং সৌর ঝড় উভয়ই সৃষ্টি হবে। যে অবস্থাকে বলা হয় ‘করোনাল মাস ইজেকশন।’ যার প্রভাব পড়বে পৃথিবীতে।

Post a Comment