বিপদ থেকে রক্ষা পেতে জন্মাষ্টমীতে মেনে চলুন এই সহজ নিয়মগুলি - The News Lion

বিপদ থেকে রক্ষা পেতে জন্মাষ্টমীতে মেনে চলুন এই সহজ নিয়মগুলি



১১ অগাষ্ট, মঙ্গলবার শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি। এই তিথিতেই শ্রীকৃষ্ণ ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন বলে হিন্দুধর্মে প্রচলিত বিশ্বাস। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর গুরুত্ব অপরিসীম। প্রধানত বৈষ্ণব মতাবলম্বীরা জাগতিক মঙ্গলকামনায় এবং অশুভ-অকল্যাণ দূর করতে এই ব্রত পালন করা থাকেন। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতেই শ্রীকৃষ্ণ এই ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়।



কৃষ্ণভক্তদের কাছে জন্মাষ্টমীর বিশেষ মাহাত্ম আছে। প্রতি বছরই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধুমধাম করে জন্মাষ্টমী উদযাপন হয়। শ্রীকৃষ্ণের আশীর্বাদ পেতে এদিন উপবাস রেখে পুজো-অর্চনা করেন অনেকেই। তবে জন্মাষ্টমীতে কয়েকটা কাজ না হলে কৃষ্ণ আরাধনা করলেও বিপদ আপনার পিছু ছাড়বে না।।   এই বিশেষ দিনটি পালনের কিছু রীতি রয়েছে। সহজ এই রীতি বা নিয়মগুলি পালন করলেই জীবনের অনেক বিপদ এড়ানো সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন অনেকেই।




১। গোপাল পুজোর আগে কিছু খাওয়া নিষিদ্ধ। যদি কিছু খেয়ে ফেলেন, তবে ফের ব্রাশ করে শুদ্ধ ভাবে পুজোয় বসতে হবে।

.২।  জন্মাষ্টমীতে একটি ছোট্ট রূপোর বাঁশি কিনুন। পুজোর সময় তা ভগবান কৃষ্ণের মূর্তি বা গোপালের মূর্তির সামনে রেখে দিন। পুজো হয়ে গেলে তা তুলে নিয়ে নিজের ব্যাগে বা পার্সে রেখে দিতে পারেন। প্রচলিত বিশ্বাস, এই কাজ করলে কোনও বিপদ কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৩।  শ্রীকৃষ্ণের পুজোয় ব্যবহার করুন মাটির প্রদীপ বা তামা-পিতলের প্রদীপ। কোনওভাবেই ভুল করেও স্টিলের প্রদীপ বা লোহার প্রদীপ ব্যবহার করবেন না।

৪।  জন্মাষ্টমীতে কৃষ্ণ ও বলরামের মূর্তিতে রাখি বাঁধুন। আপনার বিপদ সংকট রক্ষা করবেন তিনিই।




৫।  এই বিশেষ দিনে কোনও মন্দিরে ফল ও শষ্য দান করুন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হবে বলে বিশ্বাস

৬।  শ্রীকৃষ্ণের ভোগে অবশ্যই রাখুন মাখন ও মিছরি, যা গোপালের একান্ত প্রিয়। এতে ভক্তের মনের সব ইচ্ছা পূর্ণ করেন ভগবান কৃষ্ণ।

৭।  কৃষ্ণের পুজোর ফুল টাটকা হতে হবে। বাসি ফুল পুজোর আগেই ঠাকুরের সিংহাসন থেকে সরিয়ে ফেলুন।

৮।  জন্মাষ্টমীর প্রসাদ কাউকে বিতরণ করার আগে তার মধ্যে দিন তুলসি পাতা। এতে গোপাল তুষ্ট হন বলে বিশ্বাস ভক্তদের।






৯। জন্মাষ্টমীর পুজোয় রাখুন ময়ূরের পালক। মাথায় ময়ূরের পালক ধারণ করেন ভগবান কৃষ্ণ। সেই পালক শ্রীকৃষ্ণের অংশ বলেই মনে করেন ভক্তরা।


১০। এই দিন বাড়ি ঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে যতটা সম্ভব ফুল দিয়ে সাজিয়ে তুলুন৷ এরপর তাড়াতাড়ি স্নান করে শুদ্ধ বস্ত্র পড়ে গোপালের দোলনা সাজান৷ রাত ১২টার বাজলে আরতি শুরু করুন।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.