মনের মতো প্রেমিক পাচ্ছেন না পায়েল
ইন্ড্রাষ্ট্রিতে সেরকম কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারে নি। প্রায় ১৩/১৪ বছরের ক্যারিয়ারে খুব বেশি একটা সাফল্য পাননি তিনি। ফ্লুরোসেন্ট রং আর গসিপ মোড়া পেজ-থ্রি’র পার্টিতে আগেরমত আর দেখা যায় না তাকে। রাজ চক্রবর্তী আর আবির সেনগুপ্তর সঙ্গে ব্রেকআপের পর অনেক দিন হল তার প্রেমের নতুন কিস্সাও শোনা যায়নি টলিপাড়ায়।
‘প্রেম আমার’ , ‘বোঝে না সে বুঝে না’-তে তুখোড় অভিনয়, ‘পাশের বাড়ির মেয়ে’ মানেই পায়েল সরকার, সেইখান থেকে পর পর বেশ কিছু ছবি ফ্লপ। এ বিষয় পায়েল বলেন, ছবি হিট হবে না ফ্লপ হবে সেটা শুধুমাত্র একজন অভিনেতার উপর নির্ভর করে কি? ' 'ঈগলের চোখ'-এই দেখুন। আর তা ছাড়া ইন্ডাস্ট্রির অংশ হিসেবে বলছি, আপনি যদি শেষ চার-পাঁচ বছরের গ্রাফটা দেখেন, সেই ভাবে ছবি কিন্তু এখন আর ওয়ার্ক করছে না। আমরা সবাই একটা ট্রান্সফরমেশন প্রসেসের মধ্যে দিয়ে চলছি।
তিনি জানান, প্রতি দিন নতুন নতুন পরিচালক স্ক্রিপ্ট শোনাতে ফোন করেন আমাকে। আমি করি বা না করি, সেটা পরের ব্যাপার। তারা যে প্রথমেই আমাকে কাস্ট করার কথা ভেবে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তার জন্য আমার কোনও পার্টির দরকার পড়ে না। আর তা ছাড়া ওই পার্টিতে গিয়ে পিআর করে অফার পাব, এটা না আমার দ্বারা হবে না। আর এখন এইসব খুব একটা ওয়ার্ক করেও না।
প্রতি মুহূর্তে দর্শকের টেস্ট বদলাচ্ছে। আমি দশ বছর আগেও যে সব কমার্শিয়াল ছবি করেছি, সেগুলো কিন্তু এখন অ্যাকসেপটেড হবে না। আমি নাম নিতে চাই না, এমন অনেক ছবি রয়েছে, যেগুলোতে অনেক পোটেনশিয়াল ছিল কিন্তু হিট হয়নি। আবার উল্টোটাও হয়েছে। সর্বশেষ আবিরের সাথে বিচ্ছেদের পর পায়েলের জীবনে প্রেম নেই কেন? তার জবাব, একেবারেই নেই। আরে যদি কাউকে পছন্দ না হয়, কী করব? জোর করে তো আর প্রেম করতে পারব না! আমি জানি, আমার চারপাশটা খুব বোরিং। আশেপাশের মানুষগুলোও। প্রেম নেই, পার্টি নেই। কী করব বলুন, মনের মতো মানুষ পাচ্ছি না তো।

Post a Comment