দলাই লামার জমদিনে চিনের উপর এবার চাপ বাড়ালো তিব্বত
আজ,
৬
জুলাই তিব্বতী বৌদ্ধদের শীর্ষ ধর্মগুরু দলাই লামার জন্মদিন। আর তাঁর জন্মদিনেই তিব্বতকে চিনের দখলমুক্ত করার দাবি উঠল। ১৯৫০-এর দশকে চিন তিব্বত দখল করে। আর এরপর
১৯৫৯ সাল থেকে উত্তর ভারতের ধরমশালায় তাঁর নির্বাসন জীবন শুরু হয়।
দলাই
লামার জন্ম নাম লামো থনডুপ। ১৯৩৫ সালের ৬ জুলাই এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম।
তার দু বছর আগে প্রয়াত হন ত্রয়োদশ দালাই লামা। তিব্বতী বৌদ্ধদের ধর্মবিশ্বাস বলে,
কোন
শিশুর মাঝে পুনর্জন্ম ঘটবে তাঁর। এক অনুসন্ধানী দল খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে যান তাঁদের
কাঙ্খিত দালাই লামাকে। নির্বাশনে যাওয়ার পরও তিব্বতীদের সব রকমের প্রতিকূলতার
মুখেও প্রচার করে আসছেন অহিংসা আর সহিষ্ণুতার কথা।
এরই
মাঝে বিশ্বজুড়ে রব উঠেছে চিন থেকে তিব্বতেরর মুক্তির জন্য। প্রসঙ্গত,
কয়েকদিন
আগেই আকসাই চিন চিনের দখলমুক্ত করার লক্ষ্যেই বিপুল সংখ্যক সেনা লাদাখে মোতায়েন
করে ভারত। তবে সেই বিষয়টি হয় গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সংঘর্ষের পর। যদি লাদাখ
সীমান্তে ভারত-চিন শান্তি ফের স্থাপন হয়, তাহলে
হয়ত আকসাই চিন নিয়ে এখনই কোনও পদক্ষেপ নেবে না ভারত।
তবে যদি ভারত আকসাই চিন মুক্ত
করার উদ্দেশে অগ্রসর হয়, তখন তিব্বতের মুক্তির রব
আরও জোর পাবে।এর
আগে চিন-ভারত সংঘাতের আবহে 'দলাই লামা'-কে
ব্যবহার করার প্রস্তাব দিল ভারতীয় জনতা পার্টির 'মেন্টর'
সঙ্ঘ
পরিবার। মোদী সরকারে উদ্দেশে সঙ্ঘ পরিবারের প্রস্তাব,
চিনকে
কড়া জবাব দিতে ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করা হোক তব্বতি
ধর্মগুরু দলাই লামাকে।
এদিকে
লাদাখে চিনা আগ্রাসনের আবহেই দালাই লামা চিনের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেনা। চিন
তিব্বত দখল করতে পারলেও আমাদের মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন
তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা। তিনি আরও বলেন,
তিব্বতের
বিভিন্ন অঞ্চল হয়ে লাদাখে আগ্রাসন দেখিয়েছে চিন। আর তিব্বতিরা কখনও তা মেনে নেবে
না।

Post a Comment