পদ্মা ও গড়াই নদীতে ভাঙন, বিলীন হয়ে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম
ঢাকা প্রতিনিধি : বাংলাদেশের রাজবাড়ীর জেলার পদ্মা ও গড়াই নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও দৌলতদিয়া পদ্মা নদীতে পানি হ্রাস পেয়ে বিপদ সীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন থেকে পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পর্যন্ত পদ্মা নদীর ভাঙনে ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম।অপরদিকে, গড়াই ভাঙ্গনে জঙ্গল, নাড়ুয়া ও শাওরাইল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও শতশত একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
পদ্মা ও গড়াই নদীর ভাঙনে গত এক মাসে দুই হাজার একর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। আট শতাধিক ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এসব এলাকার অসহায় মানুষ কোথাও আশ্রয় না পেয়ে এখন সড়কের দু’পাশে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।
এরই মধ্যে চর এলাকায় দেখা দিয়েছে গরু ছাগলের খাদ্যের সংকট।দীর্ঘ ৫০ কিলোমিটার এলাকায় নদীভাঙন দেখা দিলেও রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের তেমন তৎপরতা না থাকায় প্রতিদিনই নতুন এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।আজ মঙ্গলবার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানান, পদ্মা নদীর ভাঙনে অত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম সংবাদমাধ্যমে জানান, জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১৫০ টন চাউল ও নগদ দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। বন্যা ক্ষয়ক্ষতি তালিকার পর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

Post a Comment