লকডাউন ও আমফান দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ালো এসিআইডি সংস্থা
লকডাউন পরিস্থিতি সামাল দিতে ও আমফানে সুন্দরবনের সব হারানো মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো এন্ড্রুজ পল্লী সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট সংস্থা।
সুন্দরবন মানেই নদীনালা, ম্যানগ্রোভ অরণ্য। মানুষের প্রধান জীবিকা হলো মাছ বা কাঁকড়া ধরা, জঙ্গলের মধু সংগ্রহ করা, কিছু চাষবাস। নিজেদের জীবনযপনের মানোন্নয়নের জন্য এলাকার বেশিরভাগ পুরুষরা কাজের সন্ধানে বাইরের রাজ্যে পাড়ি দিয়েছে।
বিগত তিন মাস লকডাউনে মহা বিপদের সম্মুখীন হয়েছে সুন্দরবনের মানুষ। একদিকে করোনা অন্যদিকে আমফানে বিদ্ধস্ত সুন্দরবনবাসী। এই কঠিন পরিস্থিতিতে এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে এন্ড্রুজ পল্লী সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট নামে এক বেসরকারি সংস্থা।
সংস্থার মুখ্য কর্ণধার দেবনারায়ণ বেজ জানালেন তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড। তিনি জানান এই সংস্থাটি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের অন্তর্গত পাঁচটি পঞ্চায়েত কালিতলা, গোবিন্দ কাটি, সাহেবখালী, যোগেশগঞ্জ ও দুলদুলি তে কাজ করে চলেছে বিগত ছয় বছর ধরে।
এই করোনা আতিমারী পরিস্থিতিতে তারা এই অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রকৃত দরিদ্র ১০০০ পরিবারকে ডাল, তেল, ছাতু সাবান, মাস্ক সহ ১৬ ধরনের খাদ্য-সামগ্রী হাতে তুলে দিয়েছে। সেগুলো পেয়ে দুস্থ অসহায় পরিবার গুলি খুবই উপকৃত হচ্ছে। এছাড়াও এই কঠিন সময়ে বিভিন্ন স্থানে বিশুদ্ধ পানীয় জল ও বাচ্চাদের খাবার সরবরাহ করেছে এন্ড্রুজ পল্লী সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট।
করোনা ও অ্যাম্ফান পরবর্তী সময়ে সাধারণ দরিদ্র মানুষের পাশে থাকতে পেরে খুবই আপ্লুত ও গভীরভাবে আনন্দিত এই সংস্থা।
তিনি আরো জানান, এই সংস্থার পাশে আর্থিকভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে FADV ও PERETTI নামে দুই সংগঠন এই গরীব দুঃস্থ মানুষদের পাশে থাকার জন্য বদ্ধপরিকর এই সংস্থাটি জানিয়েছে এভাবেই তারা এগিয়ে যেতে ও মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়।

Post a Comment