মছলন্দপুর কান্ডে তৃনমূল বিজেপির মধ্যে উত্তেজনা চড়ছে
অরূপ অধিকারি ; গতকাল রাতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মসলন্দপুর ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য তুষার পাইকের রাঘবপুরের বাড়িতে বিরোধী দল বিজেপির নেতা অজয় বৈদ্য (ভজা)র নেতৃত্বে ঘেরাও এবং তুষার পাইকের আত্মীয়ের বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর হয় বলে অভিযোগ ওঠে। অবশ্য ঘেরাওকারীদের দাবি, আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের তালিকা ঠিকমতো হয়নি, সেই তালিকা ঠিক করে তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পরে পুলিশ গিয়ে ঘেরাওকারীদের সঙ্গে কথা বলে ঘেরাও তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করে এবং তদন্ত কেন্দ্রের আধিকারিক চিন্তামণি নস্কর তাদেরকে আশ্বাস দিয়ে আসেনি ব্যাপারটি প্রশাসনিক স্তরে কথা বলে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এরপরে শুক্রবার দুপুরে হাবরা ১ নম্বর ব্লকের সভাপতি অজিত সাহা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদেরকে আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, ক্ষতিপূরণের তালিকা বিডিও অফিস ও পঞ্চায়েত অফিসে টানানো হয়েছে তথাপি কোনও অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। কিন্তু মিথ্যে প্রচার করে এবং প্ররোচনা দিয়ে তৃণমূল কর্মীদের মারধর করা হলে তারাও চুপ করে থাকবেন না।
তৃণমূলের অভিযোগ, শুক্রবার দুপুরে কথা চলার সময় বেশ কিছু লোক তৃণমূল কর্মীদের উপরে আক্রমণ চালায়। তারফলে দুইজন তৃণমূল কর্মী কিংকর মন্ডল ও মলয় ভদ্র গুরুতর আহত হয়েছেন।
এরপরে বিজেপির বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ শান্তনু ঠাকুর মছলন্দপুর তদন্ত কেন্দ্রের আধিকারিকের হাতে ডেপুটেশন জমা দেন। তিনি বলেন, তৃণমূল অজয় বৈদ্য্য বাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং তার স্ত্রী ও বাচ্চাকে মারধর করে। তাঁরা বারাসাত হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন। তাই দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।
অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে সমস্ত দুষ্কৃতীরা আমাদের কর্মীকে মারধর এবং গুরুতর জখম করেছে পুলিশ প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ করুক। তুষার পাইকের আত্মীয়ের বাড়িতে ঢুকে শ্লীলতাহানীর মতো ঘটনাও ঘটেছে। মছলন্দপুরে একদল লোক বহিরাগত দিয়ে অশান্তি বাধানোর চেষ্টা করছে তা কখনওই করতে দেওয়া হবে না। আমাদের দলের কর্মীরাই রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে।

Post a Comment