করোনা আক্রান্ত একই পাড়ার ৩০ বাসিন্দা
কোয়ারেন্টিন সেন্টারে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষৌরকর্ম করা এক ক্ষৌরকার এর কাছ থেকে করোনা সংক্রমিত হল আমতা নাপিত পাড়ার ৩৯ জন বাসিন্দা।জানা গেছে হাওড়ার নাপিত পাড়ার বাসিন্দা এক যুবক রানিহাটির একটি সেলুন দোকানে কাজ করলেও লকডাউন এর জেরে দোকান বন্ধ থাকায় সে বাড়িতেই ছিল।
স্থানীয় সূত্রে খবর বাড়িতে থাকাকালীন ওই যুবক তার একাধিক কোয়ারেন্টিন সেন্টারে গিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষৌরকর্ম করে। অভিযোগ এরপরেই ওই যুবক অসুস্থ হয়ে পড়লে তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। স্থানীয় সূত্রে খবর প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই যুবকের পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারান্টিনে থাকতে বলা হলেও তারা তা না শুনে এলাকায় ঘোরাঘুরি করে।
অভিযোগ এর পরেই এলাকার বেশ কয়েকজনের শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দেওয়ায় সম্প্রতি পাড়ার ২০০ জন বাসিন্দার লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। শুক্রবার সেই রেজাল্ট আসলে দেখা যায় ২৯ জন বাসিন্দার শরীরে করোনা সংক্রমণ আছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর ওই যুবক হাসপাতালে ভর্তি আছে। এছাড়াও ১২ জনকে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে এবং ১৭ জনকে হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর এখনো পর্যন্ত আমতায় ৫৩ জনের শরীরে করোনা সংক্রমনের খোঁজ পাওয়া গেছে।
এদিকে একসাথে এত জনের শরীরে করোনা সংক্রমনের খোঁজ পাওয়ায় নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। শনিবার বিকেলে আমতা দু'নম্বর ব্লকে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। পরে মন্ত্রী ডাক্তার নির্মল মাঝ জানান নাপিতপাড়ায় ঢোকার সমস্ত রাস্তা সিল করা হয়েছে এবং এলাকা সেনেটাইজ করার কাজ চলছে।
বিষয়টি নিয়ে হাওড়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার ভবানী দাস জানান আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এলাকায় স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা কাজ করছে।

Post a Comment