মছলন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রবেশদ্বারে বসলো হ্যান্ড স্যানিটাইজার মেশিন
অরূপ অধিকারী ; মছলন্দপুর, উত্তর ২৪ পরগনা : মছলন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিস কক্ষে ঢোকার আগে বসলো হ্যান্ড স্যানিটাইজার মেশিন। করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছিল এই পঞ্চায়েত। হাবরা ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির অধীন এই গ্রাম পঞ্চায়েত লকডাউনের সময়ে মানুষের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
প্রত্যেকটি অঞ্চল ভিত্তিক পরিবারকে নির্দিষ্ট দিন স্থির করে দিয়েছিল বাজারে যাবার জন্য। মঙ্গলবার পঞ্চায়েতের অফিস কক্ষের প্রবেশদ্বারের মুখে একটি বেসরকারি কোম্পানির হ্যান্ড স্যানিটাইজার ডিসপেন্সার বসানো হয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তাপস কুমার ঘোষ-এর উপস্থিতিতে।
এই পঞ্চায়েতে আগত সকল গ্রামবাসীবৃন্দের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে ডিসপেন্সারের নিচে হাত রেখে স্যানিটাইজ করে তারপরেই প্রবেশ করানো হচ্ছে অফিস কক্ষে। তাপসবাবু বলেন, লকডাউনের মধ্যেও সাধারণ মানুষের স্বার্থে পঞ্চায়েত খোলা রাখা হয়েছিল।
তাঁরা যাতে অফিসিয়াল কাজে কোনও অসুবিধার সম্মুখীন না হন তার জন্য আমাদের পঞ্চায়েতের সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন। আমপান ঝড়ের পর পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরগুলোকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করে গেছেন। ২৪ ঘন্টা খোলা ছিল জরুরীকালীন পরিষেবা।
তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পুলিশ প্রশাসনের মছলন্দপুর তদন্ত কেন্দ্রের আধিকারিক চিন্তামণি নস্কর এবং তাঁর অধঃস্তন কর্মীদেরকেও। তিনি আরো বলেন, করোনা মোকাবিলায় একমাত্র কাজই হলো সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সমস্ত কাজকর্ম করা। গুরুত্ব দিন হ্যান্ড স্যানিটাইজিংও।

Post a Comment