গাজলডোবা থেকে পাহাড়ি ঢল প্রবেশ করছে বাংলাদেশে, তিস্তায় রেড অ্যালার্ট জারি - The News Lion

গাজলডোবা থেকে পাহাড়ি ঢল প্রবেশ করছে বাংলাদেশে, তিস্তায় রেড অ্যালার্ট জারি




ঢাকা প্রতিনিধি : ভারতের গাজলডোবা ব্যারেজ থেকে হু হু করে পাহাড়ি ঢল প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। এতে করে ভয়ংকর রুপ ধারণ করেছে তিস্তা নদী। আজ সোমবার সকাল ৯টা থেকে তিস্তা নদীর জল নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৫২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।





এ বর্ষা মৌসুমে তিস্তার এটাই সর্বোচ্চ বিপদসীমা বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের জল উন্নয়ন বোর্ড। ফলে তিস্তায় লাল সংকেত জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।নীলফামারী জেলার ডালিয়া জল উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পুর্বাভাস সর্তকীকরণ কেন্দ্র জানায়, ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ভারত গজলডোবা ব্যারেজের সবকটি গেট খুলে দেওয়ায় সেই জল হু হু করে ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের তিস্তা নদীতে।






এতে করে তিস্তা নদী ফুলে ফেঁপে অশান্ত হয়ে উঠছে। বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার প্রায় ১০ হাজার মানুষ। দুটি উপজেলার ব্যাপক আমনের বীজতলা ও রোপিত আমন চারা জলের নিচে তলিয়ে গেছে। ভেসে গেছে অসংখ্যক পুকুরের মাছ। এদিকে প্রতিনিয়ত তিস্তার জল বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম আতংক আর উৎকন্ঠার মধ্যে দিনাতিপাত করছে দু’টি উপজেলার মানুষজন।





পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তার জল অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় তিস্তায় লাল সংকেত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা নদীর উজান ও ভাটি এলাকার লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায় জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে আমরা মনিটরিং টিম গঠন করেছি। বন্যা কবলিত মানুষজনের মাঝে শুকনো খাবার দেওয়া হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.