করোনা থেকে বাঁচতে চশমা ব্যাবহারের পদ্ধতি জেনে নিন
করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে সমস্ত নিয়মাবলী মেনে চলার পরও সামান্য কিছু অসতর্কতার কারণে কেউ কেউ আক্রান্ত হচ্ছেন এই ভাইরাস দ্বারা। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক, গ্লাভস, চশমা, ফেস শিল্ড পরা, ভালো করে হাত ধোওয়া ইত্যাদি মেনে চলার পাশাপাশি নিজেদের পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর দিচ্ছেন প্রত্যেকে। বাইরে থেকে এসে হাত, পা, মুখ ভালো করে ধোওয়া, পরা জামাকাপড় কেচে নেওয়া, স্নান করা ইত্যাদি সবার এখন নিত্যনৈমিত্তিক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য মাস্ক, গ্লাভস, ফেস শিল্ড ও হাত ধোওয়ার প্রতি আমরা যতটা গুরুত্ব দিচ্ছি, ঠিক ততটাই কি চশমা ব্যবহার এবং পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিচ্ছি? বাড়ি ফিরে মাস্ক ও গ্লাভস ভালো করে ধুয়ে নিচ্ছেন বা স্যানিটাইজ করছেন। কিন্তু চশমা?
চশমা ব্যবহার ও পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া নির্দেশিকাগুলো :
চশমা মাথার উপরে রাখা এবং যখন-তখন খুলে পকেটে ঢুকিয়ে দেওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন।
বাইরে থেকে বাড়িতে ফেরার পর মাস্ক, গ্লাভস ও ফেস শিল্ড যেভাবে পরিষ্কার করছেন, ঠিক সেভাবেই চশমাকে সাবান জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন এবং টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিন।
চশমা ব্যবহারের আগে ভালো করে সাবান দিয়ে নিজের হাত-মুখ ধুয়ে নিন। তারপর অবশ্যই চশমার ফ্রেম ও হ্যান্ডেল স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন।
চশমা রাখার বাক্স ও চশমা পরিষ্কার করার টিস্যু যেন নিয়মিত স্যানিটাইজ হয়।
চশমা রাখার আগে বাক্সটি স্যানিটাইজ করে নেবেন।
বাক্সের ভেতরে চশমা ঢোকানোর আগে চশমাটি স্যানিটাইজ করুন এবং লেন্সের দিকটি উপরের দিকে রাখুন।
অফিসের টেবিলে, বাথরুমের বেসিনের পাশে চশমা রাখলে তা পরার আগে স্যানিটাইজ করুন।
চশমা যদি কোনো সারফেসে ঠেকে, তবে তা অবশ্যই স্যানিটাইজ করতে হবে।

Post a Comment