পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ
পশ্চিমবঙ্গে করোনার সংক্রমণের হার করেকদিনে ব্যাপক হারে বেড়েছে। সুস্থতার হার যেখানে বেড়ে গিয়েছিল ৬৬ শতাংশে। এখন তা নেমে এসেছে ৫৮-তে। বহুল পরিমাণে সংক্রমণের জেরেই সুস্থতার হারে এই পতন বলে মনে করছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। এই অবস্থায় রাজ্য সরকার কার্যত স্বীকার করে নিল, বাংলাতেও গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়ে গিয়েছে।
রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, রাজ্যের কিছু জায়গায় গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। সেই সংক্রমণ রুখতে হবে। আমরা আগে যেখানে করোনা আক্রান্ত, সেখানে কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে লকডাউন পালন করছিলাম। এখন একটু পরিবর্তন করতে হচ্ছে সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য।
রাজ্যে গোষ্ঠী সংক্রমণ হচ্ছে বলে জানালেও কোথায় তা হচ্ছে সে ব্যাপারে স্পষ্ট করেননি স্বরাষ্ট্র সচিব। যাতে গোষ্ঠী সংক্রমণ বহুল আকারে ছড়িয়ে না পড়ে, তাই আগাম ব্যবস্থা হিসেবে সম্পূর্ণ লকডাউনের পথে যেতে হচ্ছে আবার। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে করোনা সংক্রমণ রোখাই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।সেই কারণেই করোনা রুখতে অবস্থান পরিবর্তন করল রাজ্য সরকার।
মমতার সরকার দীর্ঘ বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নিল সপ্তাহে দুদিন করে সম্পূর্ণ লকডাউনের। অর্থাৎ এখন থেকে সপ্তাহে দুদিন করে লকডাউন চলবে। এই সপ্তাহের জন্য সম্পূর্ণ লকডাউন বরাদ্দ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার ও শনিবার। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে আগামী বুধবার অর্থাৎ ৩১ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন চলবে।
সোমবার নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার সিদ্ধান্ত নেয় করোনার সংক্রমণ যেভাবে ছড়াচ্ছে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে আবার সম্পূর্ণ লকডাউনের রাস্তায় হাঁটতে হবে। স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সেই মর্মে বলেন বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংক্রমণ ছড়ানোর মাত্রা কমাতে সপ্তাহে অন্তত দুদিন সম্পূর্ণ লকডাউন পালন করতে হবে।তিনি জানিয়েছেন, এই সপ্তাহে দুদিন লকডাউন পালন করা হবে। তা হবে বৃহস্পতিবার ও শনিবার। ওইদিন আগের মতো সমস্ত পরিষেবা বন্ধ থাকবে।

Post a Comment