সুন্দরবনে আসতে শুরু করলো পযটকরা
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৩ টি ব্লক এবং উত্তর ২৪ পরগনার ৬ টি ব্লক নিয়ে সুন্দরবন গঠিত।বর্তমানে সুন্দরবনে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষের বসবাস।১০২ টি দ্বীপের মধ্যে ৪৮ টি দ্বীপ সংরক্ষিত বনাঞ্চল হিসাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে সুন্দরবন।পাশাপাশি ৩৫০০ কিমি নদী বাঁধ সুন্দরবনকে ঘিরে রেখেছে।
সুন্দরবনের আগাধ অরণ্য অসংখ্য নদী সংস্থান এই অঞ্চলকে সর্বত্র ভীষণ ও ভীতপ্রদ করে রেখেছে।পৃথিবীর নানা জাতীর বাঘ দেখতে পাওয়া যায়।কিন্তু সুন্দরবনের মত এমন দৃষ্টি ননদ নেই।তাই সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দর্শনে বরাবর আকর্ষণ পযটকদের মধ্যে।এদিকে সারা বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের থাবা।
তারই জেরে দেশ জুড়ে লকডাউন।অপর দিকে গত ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবে ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়েছে সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চল।বর্তমানে রাজ্য সরকারের উদ্যোগ একটু একটু করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে সুন্দরবন।আর এই সমস্ত কারণে দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ ছিল সুন্দরবন ট্যুর।
তবে সরকারি ভাবে গত ১৫ জুন থেকে চালু হয় সুন্দরবন ট্যুর স্বাস্থ্য বিধি নিয়ম কানুন মেনেই।সুন্দরবন পর্যটক দের ভ্রমণের ক্ষেত্রে যে নতুন নিয়ম তৈরি করা হচ্ছে সেখানে দশ বছরের কম এবং ৬৫ বছরের বেশি কোন পর্যটককে সুন্দরবনের ঢুকতে দেওয়া হবে না।৬ সিলিন্ডার লঞ্চে ৩৫ জন,২ সিলিন্ডার বোর্ডে ১২ জন,৪ সিলিন্ডার বোর্ডে ১৮ জন,৬ সিলিন্ডার বোর্ডে ২৫ জন পযটক নিয়ে ট্যুর করতে পারবে।
এদিকে আসতে আসতে শুরু হয়েছে সুন্দরবনের পযটকদের আনাগোনা।প্রতিদিন সজনেখালি তে আসছে পযটকরা।দীর্ঘদিন লকডাউন থাকায় সুন্দরবনের বন্ধ ছিল ভুটভুটি ও লঞ্চ চলাচলের। প্রায়ই দেখা মিলছিলো বাঘ , হরিণ সহ বিভিন্ন বন্য প্রাণীর।
আমফান পরবর্তীতেও একাধিকবার দেখা গেছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের। যা পর্যটকদের কাছে যথেষ্ট সুখবর।সুন্দরবন ব্যাঘ্র প্রকল্প জানান সুন্দরবনে ট্যুর চালু হয়েছে স্বাস্থ্য বিধি নিয়ম কানুন মেনেই।আসতে শুরু করেছে পযটকরা।আগামী দিনে পযটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশাবাদী।

Post a Comment