আনন্দের খোঁজে লাটাই সঙ্গে মাঞ্জা
দীর্ঘ লকডাউনে এর দৌলতে কি পুরোনো দিন ফিরে এলো? গতিতে এগিয়ে চলা আধুনিক প্রজন্মও হটাৎ যেন থমকে গিয়েছে। ঘরের মধ্যে থেকে কম্পিউটার অনলাইনে ,মোবাইলে ঘাটতে ঘাটতে আর মন ভালো লাগছে না।
রেস্তোরাঁ, শপিং মল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলেও অনেক বুঝে শুনে পা ফেলছেন ঘরের বাইরে। তাই একমাত্র বিনোদনের একঘেয়ামী কাটাতে দিগন্ত বিস্তৃত খোলা মাঠে পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্যদের নিয়ে লাটাইহাতে মেঘেদের সাথে ঘুড়ির লুকোচুরি খেলায় মেতেছেন।
সদ্য ঘটে যাওয়া চীনাবৃতিষ্ণা থেকে নাইলন সুতো বাদ দিয়ে, কাঁচগুড়ো করে বাবা কাকাদের সুতোয় মাঞ্জা দেওয়ার সাবেকি আনন্দে ভাসলেন এ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা।
ঘুড়ি লাটাই আর সঙ্গে সুতো বিক্রি সংখ্যা অনেকটাই বাড়ছে। অন্যান্য ছোট ব্যাবসায়ী, তাঁতিদের কাপড় বিক্রি না থাকায়। তারা সুতো ও ঘুড়ির বাবস্যা করে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছে। আর কিশোর থেকে যুবকরা নতুন উদ্যমে অতীত এর উন্মাদনা আমার জাগিয়ে তুলছে।যা দেখে বয়স্কদের মনে পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে উৎসাহ দিচ্ছে তাদের।

Post a Comment