ধর্মস্থান খোলার নয়া গাইডলাইন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের
৮ই জুন থেকে দেশের মন্দির-মসজিদ-গীর্জা-গুরুদ্বার সব কিছু খুলে গেলেও আর আগের মত থাকছে না। বৃহস্পতিবার এই ইস্যুতে একাধিক নতুন নিয়মাবলী জারি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
ধর্মস্থান খোলার প্রথম ও প্রধান শর্ত রাখা হয়েছে সামাজিক দূরত্ব পালন। এই বিষয়ের দিকে কড়া নজর রাখতে হবে কর্তৃপক্ষকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশ কনটেনমেন্ট জোনে কোনও ধর্মস্থান খোলা যাবে না। সোমবার থেকে শুধু বাকি এলাকার মন্দির-মসজিদ খুলে দেওয়া হবে বলে খবর।
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফেও জারি করা নিয়মাবলীতে জানানো হয়েছে ৬৫ বছরের ওপরের ব্যক্তি, গর্ভবতী, ১০ বছরের নীচে শিশুদের বাড়িতে থাকতে হবে। কোনওভাবেই ধর্মস্থানে প্রবেশ করতে পারবে না।
নিম্নলিকিত নিয়মগুলি জারি করা হয়েছে :
১. বিভিন্ন ধর্মস্থানে একে অপরের থেকে দূরত্ব হবে কমপক্ষে ৬ ফুট
২. মাস্ক পরা বাধ্যকতামূলক
৩. বারবার হাত ধুতে হবে, সেই ব্যবস্থা রাখতে হবে ধর্মস্থানগুলিতে। ৪০ থেকে ৬০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। অপরিচ্ছন্ন না লাগলেও হাত ধোওয়ার অভ্যাস করতে হবে। অ্যালকোহল নির্ভর স্যানিটাইজার ব্যবহার করার পরামর্শ
৪. ধূমপান সংক্রান্ত নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। হাঁচি বা কাশির সময় মুখ ঢেকে নেওয়া বাধ্যতামূলক।
৫. নিজের শরীর ও স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে হবে। যে কোনও প্রয়োজনে রাজ্য বা জেলার হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
৬. কোনওভাবেই প্রকাশ্যে থুতু ফেলা যাবে না
৭. পূণ্যার্থীদের মোবাইলে অবশ্যই আরোগ্য সেতু অ্যাপ থাকতে হবে ও তা ব্যবহার করতে হবে।
৮. ধর্মস্থানের প্রবেশ পথে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা থাকতে হবে। রাখতে হবে স্যানিটাইজার
৯. শুধু অ্যাসিমপ্টোম্যাটিকদের প্রবেশ করতে দেওয়া যেতে পারে।
১০.কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বিশদ তথ্য পোস্টারের আকারের ধর্মস্থানগুলিতে রাখতে হবে। প্রয়োজন কোনও অডিও বা ভিডিও ক্লিপ চালানো যেতে পারে।
১১. জুতো রাখার বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে। একসাথে জুতো রাখা যাবে না।
১২. ধর্মস্থানের মধ্যে কোনও দোকান থাকলে, সেখানে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে।
১৩. প্রবেশ পথ ও বেরোনোর রাস্তা আলাদা করতে হবে।
১৪. মূর্তি, পবিত্র বই বা স্ট্যাচু ছোঁয়া যাবে না
১৫. সমবেত প্রার্থনা আপাতত বন্ধ রাখতে হবে
১৬. প্রসাদ বিতরণ বন্ধ থাকবে, পবিত্র জল ছেটানো বা শান্তি জল পাওয়ার রীতি বন্ধ রাখতে হবে। দেবতাকে কোনও কিছু অর্পণ করা যাবে না।
Post a Comment