‘অ্যাম আই নেক্সট’, লেখা প্লাকার্ড নিয়ে হোয়াইট হাউসের সামনে বাংলাদেশি তরুণীর বিক্ষোভ - The News Lion

‘অ্যাম আই নেক্সট’, লেখা প্লাকার্ড নিয়ে হোয়াইট হাউসের সামনে বাংলাদেশি তরুণীর বিক্ষোভ




আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ    যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পুরো চলমান উত্তাল বিক্ষোভে বাংলাদেশি প্রবাসীরাও পিছিয়ে নেই। এই আন্দোলনে বিভিন্ন স্থানে লুটতরাজের ভিকটিম যেমন হয়েছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা, ঠিক তেমনি বহু মিছিলেও তারা রয়েছেন সোচ্চার।

গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের সামনের বিক্ষোভে আরও অনেকের সঙ্গে ছিলেন ভার্জিনিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি এই তরুণী। তার নাম ফামি মুমতাহিনা। দাঙ্গা পুলিশের সামনে ‘অ্যাম আই নেক্সট’ বা ‘এর পরে কি আমি’ লেখা একটি প্লাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থেকে বর্ণবিদ্বেষমূলক আচরণে লিপ্ত পুলিশের নিন্দা জ্ঞাপন করেন।





নিউইয়র্ক সিটির টাইমস স্কোয়ার, ইউনিয়ন স্কোয়ার, ব্রুকলীনে ফ্লাটবুশ, জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হাজার হাজার জনতার বিক্ষোভে দেখা গেছে বাংলাদেশিদেরও। করোনার আতঙ্ক সত্ত্বেও সর্বস্তরের মানুষের মধ্যেকার এই ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে ফ্লয়েডকে নির্মমভাবে হত্যায় অভিযুক্ত চার পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধেই সেকেন্ড ডিগ্রি খুনের অভিযোগ পেশ করা হয়েছে ওই দিনই। এর ফলে আন্দোলনের মেজাজ কিছুটা নরম মনে হলেও সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৯ জুন ফ্লয়েডের শেষকৃত্যানুষ্ঠান পর্যন্ত চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।





গত ২৫ মে মিনেসোটা স্টেটের মিনিয়াপলিস সিটিতে কাপ ফুড নামক একটি রেস্টুরেন্টে কিছু খাবার ক্রয়ের জন্যে ২০ ডলারের একটি নোট দিয়েছিলেন ফ্লয়েড। সেটি নাকি জাল ছিল বলে নিকটস্থ পুলিশে ফোন করেছিল ওই রেস্টুরেন্টের মালিক। এরপর টহল পুলিশের একটি গাড়ি এসে ফ্লয়েডকে (৪৬) গ্রেফতার করে গাড়িতে ওঠায়। কিছুক্ষণ পর তাকে হাতকড়া পরাবস্থায়ই গাড়ি থেকে বের করে ডেরেক চৌভিন নামক পুলিশের এক অফিসার সেই গাড়ির পেছনের চাকার কাছাকাছি স্থানে ফেলে দিয়েই ফ্লয়েডের ঘাড়ে হাটু চাপা দিয়ে ধরেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে।





এরপরই কৃষ্ণাঙ্গ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্র আন্দোলন গড়ে উঠেছে ২৬ মে। সর্বশেষ গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, লসএঞ্জেলেস, ফিলাডেলফিয়া, মিনিয়াপলিস, আটলান্টা, ডেট্রয়েট, ডালাস, ফিনিক্সসহ ২০টিরও অধিক সিটিতে কারফিউ ছিল।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১১ জন নিহত এবং লুটতরাজ, অগ্নি সংযোগ, ভাঙচুর ও কারফিউ লংঘনের জন্যে ১০ হাজার ৫০০ জনকে আটক করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.