প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বাংলা স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেই, বললেন শুভেন্দু
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালি
সরবেড়িয়া ফুটবল মাঠে হেলিকপ্টার নামেন জল পরিবহন ও সেচ দপ্তরের মন্ত্রী শুভেন্দু
অধিকারী। এখান থেকে
ধামাখালি চারচাকা গাড়িতে যান সেখান থেকে
লঞ্চে করে ক্ষতিগ্রস্ত ছোট কলাগাছি বড় কলাগাছি তুষখালী রায়মঙ্গল নদীর দশটি
বাঁধের কাজ পরিদর্শন করে।
দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন। সঙ্গে ছিলেন সন্দেশখালি
বিধায়ক সুকুমার মাহাতো সরবেড়িয়া আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শেখ শাহাজান
জেলা পরিষদের সদস্য শিবপ্রসাদ হাজরা সেচ দপ্তর আধিকারিক সহ প্রশাসনিক
কর্তারা। বসিরাট মহাকুমায় ১৪৯ টা-নদী
বাঁধের কাজ অস্থায়ীভাবে কাজ শুরু হয়েছে। শেষ হবে আগামী 7 থেকে
10
দিনের মধ্যে। তারপরে রাজ্য সরকারের বৃহৎ পরিকল্পনা রয়েছে।
পূর্ণিমার
ভরা কোটাল শুরু হয়ে গেছে। প্রকৃতির সঙ্গে
লড়াই করে মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে আগামী দিনে। সুন্দরবনকে বাঁচাতে বহু ম্যানগ্রোভ
লাগানোর কথা বলেছেন মুখ্যন্ত্রী। মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে দক্ষিণ 24 পরগনা
দুর্গত এলাকায় আকাশপথে পরিদর্শন করেছেন।বৈঠক
করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত দের
কথা বলেছেন। ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কুড়ি হাজার টাকা করে
দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন।
শুভেন্দু বলেন, আগামী দিনে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে
হবে। বারেবারে বঙ্গোপসাগরের উৎপত্তি হওয়া ঝড়ে,সমুদ্র
উপকূলে ধ্বংস করেছে ,আমি যেখানে থাকি
সেই দীঘা এলাকা এবং সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ
অঞ্চলে তাণ্ডবলীলা চালায় ঝড়।
তাই আমাদের লড়াইটা প্রকৃতির সঙ্গে।বাংলাকে স্বাভাবিক করতে যা প্রয়োজন সে লড়াই আমরা করে যাচ্ছি। আম্ফানের পরে ধীরে
ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। আপনারা তো জানেন একদিকে করোনা অন্যদিকে আমফান বিপর্যস্ত বাংলা। আমাদের জিততে
হবে। মাথার উপরে
দলনেত্রী রয়েছেন।

Post a Comment