আবহাওয়া খারাপ, ফিরে এল ট্রলার,বাজারে এল ২০ টন ইলিশ
আবহাওয়া খারাপ থাকার জন্য গভীর সমুদ্র থেকে ফিরে এল ট্রলার।যার ফলে ঠিক মতন মাছ ধরতে পারলো না মৎস্যজীবীরা।তবে গভীর সমুদ্রে ও নদীতে মাছের সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ এমনি মত মৎস্যজীবীদের।ইলিশের প্রথম মরশুমে গত ১৫ জুন রাত ১২ টার পর গভীর সমুদ্রে ইলিশ মাছ ধরার উদ্দেশ্যে পাড়ি দেয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন ব্লক থেকে কয়েক হাজার মৎস্যজীবী প্রায় ৩ হাজার ট্রলার নিয়ে।
১৪ এপ্রিল থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ছিল মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল।এই সময়ে মাছ ডিম পাড়ে।তাই মাছের প্রজন্মের ভারসাম্য রক্ষার্থে এই সময়টা মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে।এক দিকে করোনা ভাইরাস,অপর দিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে জেলার বিভিন্ন গ্রাম গুলি ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়েছে।তবে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে একটু একটু করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে এই জেলা।জেলার বেশির ভাগ মানুষজন মাছ ধরে, এবং কৃষি কাজের উপর নির্ভর শীল।ফলে জেলায় কয়েক লক্ষ পরিবারের রুজিরোজগার মৎস্য শিকার করে।
গত ১৫ জুন রাত ১২টার পর নামখানা,রায়দিঘী, সাগর, কাকদ্বীপ,ক্যানিং ডায়মন্ডহারবার, পাথর প্রতিমা, গোসাবা, বাসন্তী, কুলতলি,সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে জল পথে ট পাড়ি দেবে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে প্রায় ৩ হাজার ট্রলার।কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকার ফলে একের পর এক ট্রলার ফিরে আসতে শুরু করেছে।
মৎস্যজীবী সূত্রে জানা গিয়েছে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ট্রলার ফিরে চলে এসেছে।আর এই অল্প কয়েক দিনে মৎস্যজীবীদের জালে উঠে এসেছে ৬০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ২০ টন ইলিশ এবং অন্যান্য প্রজাতির ৫০ টন মাছ।আর এই ইলিশ মাছ বাজারে ঢুকলে পাইকারি দাম ওঠে সাড়ে পাঁচশো থেকে ৬০০ টাকা এক কেজিতে।এদিকে মৎস্যজীবীরা জম্বুদ্বীপ,হরিপুর ও সীতারামপুর মোহনায় ট্রলার নিয়ে অপেক্ষা করছে ইলিশ মাছ উদ্দেশ্যে।
একটু আবহাওয়া ভালো হলে আবার গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পাড়ি দেবে প্রায় ৩ হাজার ট্রলার।কাকদ্বীপ ফিসার ম্যান ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়ানের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন গত ১৫ জুন রাতে প্রায় ৩ হাজার ট্রলার পাড়ি দেয় গভীর সমুদ্রে ইলিশ মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য বিধি নিয়ম কানুন মেনে।৯ টি ল্যান্ড সেক্টরে মেডিকেল ক্যাম্প বসছে।সেখানে মৎস্যজীবীদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে।চিকিৎসাকরা ছাড়পত্র দিলে,তবেই মৎস্যজীবীরা ট্রলারে করে মাছ ধরতে যায়।
তবে বর্তমানে আবহাওয়া খারাপ থাকার জন্য মৎস্যজীবীরা ঠিক মতন মাছ ধরতে পারিনি।প্রচন্ড ঢেউ হচ্ছে সমুদ্রে।যার ফলে কয়েক দিন মাছ ধরে এ পর্যন্ত সমস্ত ট্রলার ফিরে আসে।২০ টন ইলিশ এবং অন্যান্য প্রজাতির ৫০ টন মাছ ধরতে পেরেছে মৎস্যজীবীরা।

Post a Comment