আম্ফানের প্রভাবে সুন্দরবনে ঘটেছে বড়োসড়ো পরিবর্তন, জানুন বিস্তারিত
এবার আম্ফান যেন সব ওলটপালট করে দিয়ে গেল। আম্ফানের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি ভাঙল, গাছপালা-বিদ্যুকের খুঁটি উপড়াল, তথনছ হয়ে গেল জীবনযাত্রা। সেইসঙ্গে উদ্ভিদ-বৈচিত্র্যেও কী বদল ঘটিয়ে দিল? তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
সুপার সাইক্লোন আম্ফান বয়ে যাওয়ার পর সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যের গাছগুলি হলুদ হয়ে যেতে শুরু করেছে। যারা ঝড়ের তাণ্ডব রুখেও দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাঁদের এহেন অবস্থা দেখে উদ্ভিদপ্রেমীদের চোখে জল এসে যাওয়ার জোগাড়। পাতা হলুদ হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে, এমনকী ঝরে পড়তেও শুরু করেছে ইতিমধ্যে।
আম্ফানের তাণ্ডবের পর ১০ দিন কেটে গিয়েছে। এরই মধ্যে সুন্দরবনের উপকূলবর্তী অঞ্চল ঘুরে সরকারি অফিসাররা যা দেখে এলেন, তাতে তাজ্জব বনে গিয়েছেন তাঁরা। দাঁড়িয়ে থাকা গাছ কেন বিবর্ণ হয়ে যাবে, গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাবে, তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন উদ্বিদবিজ্ঞানীরা।
হলুদ বিবর্ণ হয়ে যাওয়া ম্যানগ্রোভ দেখে মন খারাপ উদ্ভিদপ্রেমীদের। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, আম্ফান দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়েছে। সেইসময় সারাক্ষণই সমুদ্রের নোনা জলের ঝাপটা খেয়েছে সুন্দরী গাছ। তাই সেই ঝপটাই সুন্দরীরা বিবর্ণ হয়ে গিয়েছে।
আরও পর্যবেক্ষণ করে দেখা গিয়েছে শুধু সুন্দরী গাছ নয়, আম্ফানের তাণ্ডবে বিবর্ণ হয়ে গিয়েছে সুন্দরবন এলাকার আরও অনেক প্রজাতির গাছ। তাই প্রকৃতিপ্রেমীরা মনে করছেন আম্ফানেই বিবর্ণ হয়েছে সুন্দরবনের উদ্ভিদজগৎ। আবার মূল ভূখণ্ডেও এমন ছবি দেখা গিয়েছে, সেখানে অন্য গাছও বিবর্ণপ্রায়।
আবহবিদরা জানিয়েছেন, আয়লায় ঝড়ের থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছিল। আর আম্ফানে বৃষ্টির তুলনায় ঝড়ের দাপট বেশি। সমুদ্রের ঢেউয়ের ঝাপটা আর লবণাক্ত জোলো হাওয়ার জেরে গাছের পাতা হলুদ হয়ে গিয়েছে। যদি আম্ফানের পর ভারী বৃষ্টি হত, তাহলে এই সমস্যা হত না। কেটে যেত বিবর্ণ রোগ। সুন্দরবনের ওই এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।
সুপার সাইক্লোন আম্ফান বয়ে যাওয়ার পর সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যের গাছগুলি হলুদ হয়ে যেতে শুরু করেছে। যারা ঝড়ের তাণ্ডব রুখেও দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাঁদের এহেন অবস্থা দেখে উদ্ভিদপ্রেমীদের চোখে জল এসে যাওয়ার জোগাড়। পাতা হলুদ হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে, এমনকী ঝরে পড়তেও শুরু করেছে ইতিমধ্যে।
আম্ফানের তাণ্ডবের পর ১০ দিন কেটে গিয়েছে। এরই মধ্যে সুন্দরবনের উপকূলবর্তী অঞ্চল ঘুরে সরকারি অফিসাররা যা দেখে এলেন, তাতে তাজ্জব বনে গিয়েছেন তাঁরা। দাঁড়িয়ে থাকা গাছ কেন বিবর্ণ হয়ে যাবে, গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাবে, তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন উদ্বিদবিজ্ঞানীরা।
হলুদ বিবর্ণ হয়ে যাওয়া ম্যানগ্রোভ দেখে মন খারাপ উদ্ভিদপ্রেমীদের। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, আম্ফান দীর্ঘ চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়েছে। সেইসময় সারাক্ষণই সমুদ্রের নোনা জলের ঝাপটা খেয়েছে সুন্দরী গাছ। তাই সেই ঝপটাই সুন্দরীরা বিবর্ণ হয়ে গিয়েছে।
আরও পর্যবেক্ষণ করে দেখা গিয়েছে শুধু সুন্দরী গাছ নয়, আম্ফানের তাণ্ডবে বিবর্ণ হয়ে গিয়েছে সুন্দরবন এলাকার আরও অনেক প্রজাতির গাছ। তাই প্রকৃতিপ্রেমীরা মনে করছেন আম্ফানেই বিবর্ণ হয়েছে সুন্দরবনের উদ্ভিদজগৎ। আবার মূল ভূখণ্ডেও এমন ছবি দেখা গিয়েছে, সেখানে অন্য গাছও বিবর্ণপ্রায়।
আবহবিদরা জানিয়েছেন, আয়লায় ঝড়ের থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছিল। আর আম্ফানে বৃষ্টির তুলনায় ঝড়ের দাপট বেশি। সমুদ্রের ঢেউয়ের ঝাপটা আর লবণাক্ত জোলো হাওয়ার জেরে গাছের পাতা হলুদ হয়ে গিয়েছে। যদি আম্ফানের পর ভারী বৃষ্টি হত, তাহলে এই সমস্যা হত না। কেটে যেত বিবর্ণ রোগ। সুন্দরবনের ওই এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

Post a Comment