এখন নয়া ভাবনায় এগোতে হবে, স্মৃতি
অবস্থায় শিল্পমহলের কাছ থেকে সরকারের উপর চাপ আসছে নতুন আর্থিক প্যাকেজের। কিন্তু সরকারের নিজের যা হাড়ির হাল সেটা দেখাও কঠিন। আর তাই কোনরকম রাখঢাক না করেই সে কথা কবুল করেছেন কেন্দ্রীয় বস্ত্র শিল্প মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। রবিবার বণিকসভা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির সঙ্গে শিল্পমহলের আলোচনার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বার্তা দিয়েছেন, বস্ত্র শিল্পের এই অবস্থায় সরকারের কাছ থেকে কোনো রকম প্যাকেজ আশা করা উচিত নয়।
মন্ত্রীর পরামর্শ, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই শিল্প ক্ষেত্রটির নিজেদের ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর দরকার। তবে নীতিগতভাবে কেন্দ্রিয় সহায়তা মিলবে। তিনি তাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন, লকডাউনের ফলে সরকারের উপর যথেষ্ট আর্থিক চাপ রয়েছে। স্মৃতি ইরানির বক্তব্য, এখন নতুন করে ভাবনা চিন্তা করার সময় এসেছে। বস্ত্র শিল্পকেও সেইমতো নতুন চিন্তা ভাবনা করে এগোনোর পরামর্শ দিয়েছেন। তার আশা এই ক্ষেত্রটির সে ক্ষমতা আছে। তিনি উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগ তথা যন্ত্রের ব্যবহারের দিকে নজর দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন।
এই সব কথা বলতে গিয়ে তিনি উদাহরণ হিসেবে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিই তৈরি প্রসঙ্গ তোলেন। উল্লেখ করেন জেসিটি লকডাউনের সময় পিপিই-র নমুনা পাঠিয়ে দিয়েছে পরীক্ষার জন্য আওরঙ্গবাদের পরীক্ষাগারে। এই ব্যাপারে সরকার সহায়তা করছে।পাশাপাশি এই প্রসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ব্যাংকগুলি এইসব বিষয়ে সহায়তা করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, লকডাউনের জেরে এদেশের বস্ত্র শিল্প ক্ষেত্রে জোর ধাক্কা লেগেছে। এদিকে আবার বিদেশে চাহিদা কমায় রফতানিও ঠিকমতো হচ্ছে না।
ফলে আর্থিক সাহায্যের বদলে শুধুমাত্র নীতিগতভাবে পাশে থাকাতে আদৌ কতটা কাজের কাজ হবে সে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে পাট শিল্পে উন্নতির জন্য এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মুখ্য সচিব এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করেন স্মৃতি ইরানি। এই বিষয়ে কিছু ঘোষণা হতে পারে বলে তিনি আশ্বাস দেন। পাট শিল্পের প্রসঙ্গে মন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্যের উন্নত মানের পাট উৎপাদন করার জন্য সরকারি ভাবে পরীক্ষিত বীজ যেন ব্যবহার করা হয়।
Post a Comment