- The News Lion


জুনের ২০ তারিখে ছোঁবে সর্বোচ্চ সীমা। টাইমস নাওয়ের এক সমীক্ষা বলছে ২০শে জুন ২.৭১ লক্ষ হবে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এর আগের সমীক্ষায় প্রস্তাবিত সংখ্যা ছিল ২.০৯ লক্ষ। জুনের ১৪ তারিখের মধ্যে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াবে ৬৪,৪৭৯। চতুর্থ দফা শেষ হওয়ার আগেই ১.৬৬ লক্ষ ছাড়িয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা।





পঞ্চম দফা লকডাউন ঘোষণা হতে চলেছে।  শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৪৬৬ জন। যার ফলে দেশে মোট সংক্রামিত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৭৯৯। মোট আক্রান্তের মধ্যে সেরে উঠেছেন ৭১ হাজার ১০৬ জন মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৪৭০৬ জনের। দেশ চতুর্থ লকডাউনের শেষ সীমায় দাঁড়ালেও লাগাম দেওয়া যাচ্ছে না সংক্রমণে। লকডাউনে শিথিলতা আনার পরেই এই অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। 






লকডাউনের কড়াকড়ি উঠে যাওয়ার পরেই পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে খবর। প্রতিদিন ভারতে গড়ে ২৪০০ জন আক্রান্ত হচ্ছেন। পয়লা মে থেকে এই ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। ৭ই মের পর থেকে ৩০০০রের বেশি নতুন করে প্রতিদিন আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলছে।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন গত এক সপ্তাহে গড়ে ৫-৬ হাজার নতুন ভাবে আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েছে ভারত। ১৯শে মে সবথেকে কম আক্রান্ত ছিল, ৪৯৭০ জন সেদিন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিই আন্তর্জাতিক হটস্পট বানিয়ে তুলেছে ভারতকে। মে মাসের শেষে যদি লকডাউন পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়, তবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি করোনা আক্রান্তের হার আকাশ ছোঁবে।     





এপ্রিল মাসের পর থেকে করোনা পরীক্ষা করার সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। এপ্রিলে যেখানে ৫৬০০টিরও কম পরীক্ষা হত, সেখানে মে মাসে পরীক্ষা হচ্ছে লক্ষাধিক। ফলে আক্রান্ত ধরাও পড়ছে বেশি মাত্রায়। ২১শে মে ২০ লক্ষ পরীক্ষা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ৯-১০ মে যেখানে পরীক্ষা হয়েছিল ১০ লক্ষ।  দশদিনের মধ্যে সেই সংখ্যাটা দ্বিগুণ করা হয়েছে। মহারাষ্ট্র, বিহার, গুজরাত, দিল্লি করোনা ভাইরাসের আঁতুড়ঘর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ইতিমধ্যেই। প্রতি এগারো দিন অন্তর আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে বলে খবর।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.