মহালয়ার আগে থেকেই শুরু পুজর তোরজোড়, ঢাকের তালে মাতল শিলিগুড়ি - The News Lion

মহালয়ার আগে থেকেই শুরু পুজর তোরজোড়, ঢাকের তালে মাতল শিলিগুড়ি

 


দি নিউজ লায়নঃ ঢাকে কাঠি পরে গেল! বেজে গেল পুজোর বাদ্যি! খুঁটি পুজোর মধ্যে দিয়ে শুরু হল শিলিগুড়ি রথখোলা স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো প্রস্তুতি। হাতে গুনে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। এরপরই শুরু হবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। করোনার জেরে নিয়মাবলীর ব্যারিকেড টেনে দেওয়া হয়েছে পুজোয়। তাই বলে বাঙালি কি এতেই দমে যেতে পারে? সব নিয়ম মেনে ছোট করে হলেও সেই পুজোতেই মেতে উঠছে দেশ থেকে বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সকল বাংলা ভাষাভাষির মানুষ। খুঁটি পুজোর ধারণা এসেছে শত বছরের পুরোনো রীতি থেকে। 


আগে পুজো মানেই ছিল বনেদি বাড়ির পুজো। তখনকার দিনের এখনকার মত ছিল না থিম না দেবীকে ভিন্ন আকৃতি দানের প্রতিযোগিতা। রথযাত্রার দিন থেকে ঠাকুরবাড়ির দালানে প্রতিমার কাঠামোর পুজোর মধ্যে দিয়ে শুরু হত পুজো প্রস্তুতি।  তারপর বাঁশ গেড়ে তাতে রঙিন কাপড় জড়িয়ে বানানো হত চাকচিক্যহীন পুজো প্যান্ডেল। কিন্তু ক্রমেই সময়ের সঙ্গে এই খুঁটি পুজো নিয়েও মানুষের প্রতিযোগিতা বেড়ে উঠছে ক্রমে। কে কত বেশি জাঁকজমকপূর্ণভাবে পুজো করতে পারে সে ঢাকের বাহারে কিংবা কোনও সেলিব্রিটি এনে, তাতেই নজর গেঁড়ে সকলে। পিছিয়ে নেই শিলিগুড়ির বিখ্যাত পুজো কমিটিগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় রথখোলা স্পোর্টিং ক্লাব । বুধবার স্থানীয়দের উপস্থিতিতে সকাল ৮ টা নাগাদ খুঁটি পুজো আয়োজিত হয়  ।    


 পূর্বপ্রচলিত নিয়ম মেনে এই পুজোর আগে করা হয় দেবীবোধন। এই বছর পুজো ৫৬তম বর্ষে পদার্পণ করল। পুজোর থিম এখনও নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি তবে প্রত্যেক বছরের মত এবছরও থাকছে নয়া চমক। করোনা এড়াতে পুজোয় স্যানিটাইজারের ব্যবস্থার পাশাপাশি মাস্ক  ছাড়া প্রবেশে থাকছে নিষেধাজ্ঞা। ক্লাব সম্পাদক সোনা চক্রবর্তী বলেন, ‘সরকারি নিয়ম যা জারি করা হবে তা মেনেই পুজো করা হবে। তবে মানুষ যাতে সুরক্ষিতভাবে পুজো উপভোগ করতে পারে সেদিকেই বেশি নজর রাখা হচ্ছে।’ সরকারি সাহায্য পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেকটি ক্লাবকে পুজো করার জন্যে সাহায্য করেই থাকেন। এখনও তিনি এই বিষয়ে কোনও ঘোষণা করেননি। তবে আশা করছি তিনি এবারও সাহায্য করবেন।’

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.