এখানে বোধোনেই বিসর্জন মায়ের!! কোথায় এই ব্যতিক্রমী পুজো? - The News Lion

এখানে বোধোনেই বিসর্জন মায়ের!! কোথায় এই ব্যতিক্রমী পুজো?

 



দি নিউজ লায়ণঃ  পূজোর আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। সমনেই  মহালয়া। এর পরেই শুরু দেবি দুর্গার পূজো।পাঁচ দিন ব্যপি চলে এই পুজো। তবে এমন একটী পুজো আছে যেখানে মহালয়ায় দেবী দুর্গা মর্ত্যে পা দিলেন, পূজিত হলেন আবার মহালয়াতেই ফিরে গেলেন কৈলাসে। অভিনব একদিনের এই দুর্গাপুজো হয় আসানসোল শিল্পনগরীর বার্নপুরে। হীরাপুরের ধেনুয়া গ্রামে। দামোদরের নদীর তীরে ধেনুয়া গ্রামের কালীকৃষ্ণ আশ্রমে মহালয়ার দিন ভোর থেকে শুরু হয়েছে দুর্গাপুজো। এই একদিনেই সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীর পুজো হয়ে যায় একসঙ্গে। একদিনের এই অভিনব এই দুর্গাপুজো দেখতে বহু মানুষ দূরদূরান্ত থেকে হাজির হন ধেনুয়া গ্রামে। 


এখানকার পুরোহিত আশিষ ঠাকুর জানান, বিভিন্ন অ্যাখ্যান অনুযায়ী, পুজোর লোকাচারগুলি হয়। চার রকমের ভোগ তৈরি করতে হয় একদিনেই। দশমীর পুজো শেষে ঘট বিসর্জন হয়ে গেলেও মাতৃ প্রতিমা রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু কেন পাঁচদিনের দুর্গাপুজো এই একদিনে করে ফেলার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ? সেবাইত কালী ধীবর বলেন, ”এই আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ও সেবাইত ছিলেন যতীন মহারাজ। তাঁর গুরুদেব তেজানন্দ ব্রহ্মচারী স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো চালু করেছিলেন। বছর তিনেক আগে সেবাইত যতীন মহারাজ মারা গিয়েছেন।”


১৯৩০ সাল থেকে হীরাপুরের ধেনুয়া গ্রামে এই পুজো হয়ে আসছে। দশভূজা দেবী এখানে সিংহবাহিনী হলেও অসুরদলনী নন। আগমনী দুর্গার সঙ্গে থাকেন দুই সখী – জয়া ও বিজয়া। ধেনুয়া গ্রামের বাসিন্দারা একদিনের এই পুজোয় মেতে ওঠেন প্রত্যেক বছর। তবে বাতাসে পুজো পুজো গন্ধ আসতেই তা দিনশেষে মিলিয়ে যাওয়ায় মন বিষন্ন হয়ে যায় সবার। 

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.