ত্রিপুরায় নারি নির্যাতন ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে আঙুল তুললেন Kakli Ghosh Dastidar
দি নিউজ লায়নঃ আজ ত্রিপুরায় বসেই সরাসরি বিজেপিকে কার্যত হুশিয়ারী দিলো তৃণমূল । আগরতলায় একটি বিলাসবহুল পাঁচতারা হোটেলে রীতিমতো সাংবাদিক সন্মেলন ডেকে শনিবার স্পষ্ট করে দেওয়া হলো। সূত্রের খবর, যদিও শুক্রবার রাত পর্যন্ত হোটেলে সাংবাদিক বৈঠকের প্রশাসনিক অনুমতি পায়নি তৃণমূল। হোটেলের বাইরে দাঁড়িয়েই সাংবাদিক বৈঠক করবেন বলেই স্থির করে বাংলার শাসকদল। তবে শেষ মুহূর্তে হোটেলে সাংবাদিক বৈঠকের অনুমতি মেলে।
তারপর ত্রিপুরার হোটেলে বসেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ব্রাত্য বসু, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শান্তনু সেন বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ব্রাত্য বসু বলেন, “বাংলায় বিপুল ভোটে হারার পর প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে ত্রিপুরায় তৃণমূলের উপর অত্যাচার করছে বিজেপি। আমি বিজেপিকে বলছি, মমতা বন্দ্যোাধ্যায়কে ধমক দিয়ে চমকিয়ে ভয় দেখানো যাবে না। ত্রিপুরার উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করবে তৃণমূল।” ইতিমধ্যেই রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচার ও নিগ্রহের ঘটনা নিয়ে সংসদের বাইরে গান্ধীমূর্তির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বাংলা থেকে নির্বাচিত বিজেপি সাংসদেরা। শনিবার একইভাবে ত্রিপুরার মাটিতে দাড়িয়ে নারি নির্যাতন ইস্যুতে পাল্টা ত্রিপুরা বিজেপির বিরুদ্ধে আঙুল তুললেন তৃনমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
ত্রিপুরার নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁর দাবি, “বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রিপুরায় মহিলাদের ভয় দেখানো হচ্ছে।” ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশি হেনস্তার প্রতিবাদেও সুর চড়ান তিনি। কর্মহীন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্দোলন জারি রাখার বিষয়েও সওয়াল করেছেন তৃণমূল সাংসদ। আন্দোলনকারীদের পাশে তৃণমূল রয়েছে বলেও আশ্বাস তাঁর। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগে সরব হয় তৃণমূল।
তাদের দাবি, কোভিডবিধি লঙ্ঘন করার অভিযোগে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় -সহ তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে ত্রিপুরার বিপ্লব দেবের সরকার। তা সত্ত্বেও কেন ত্রিপুরায় থানার সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের জমায়েত এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে না? ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুযায়ী, শুক্রবারই ত্রিপুরায় পৌঁছন বাংলার ৯ জন সাংসদ এবং এক মন্ত্রী। শ

Post a Comment