অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ - The News Lion

অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ

 


দি নিউজ লায়নঃ   মারধরের ঘটনার এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনারপুর-২ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায় হান্নান হোসেন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। শুক্রবার সকালে সোনারপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর সোমনাথ দাস সহ কয়েকজন পুলিশ কর্মী এবং চারজন সিভিক ভলেন্টিয়ার সোনারপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতর বেনেবউ এলাকায় ওই আসামীর বাড়িতে যায়। পুলিশ আসার খবর পেয়ে হান্নান বেপাত্তা হয়ে যায়। 


অভিযোগ, হান্নানের বিষয় খোঁজখবর নিতে গেলে তার আত্মীয়রা পুলিশকে আক্রমণ করে। মাটিতে ফেলে পুলিশকর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। মারের চোটে গুরুতর জখম হয়েছেন সাব ইন্সপেক্টর সোমনাথ দাস। তাছাড়া বাকি পুলিশকর্মীরাও সিভিক ভলেন্টিয়াররা মারের চোটে জখম হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সোমনাথবাবু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোনারপুর থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, সহকর্মীদের মারধরের ঘটনা খবর আসার পর আরও পুলিশ বাহিনী ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে এক মহিলাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। 


ধৃতদের বিরুদ্ধে পুলিশকে মারধর ও খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ওই ঘটনায় সরাফ হোসেন, আনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন ও তানিয়া পারভিন নামে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে অভিযুক্তদের পাল্টা অভিযোগ, সরাফ হোসেনকে বিবস্ত্র করে মাটিতে ফেলে পিটিয়েছে সোনারপুর থানার পুলিশ। এরপর তাকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তোলা হয়েছে। সূত্রের খবর, সরাফ নিজে এক পুলিশকর্মী।


 উত্তর ২৪ পরগনা অশোকনগর থানা এলাকার একটি ফাঁড়িতে কর্মরত। তবে ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বারুইপুর পুলিশ জেলার কর্তারা বলেন,"ওই ব্যক্তি সোনারপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর সোমনাথ দাসের উপর হামলা চালিয়েছিল। পরে পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সরাফ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরনে শুধু লুঙি ছিল। টানাটানিতে তা খুলে যায় যায়। বেশ কয়েকবার পুলিশের হাত ছাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করে সে। সেই কারণে তাকে টেনে এনে গাড়িতে তোলা হয়।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.