বিদ্যাধরী নদীর চরে ১০ হাজার ম্যানগ্রোভের চারা রোপণ করলেন প্রতিমা মন্ডল
দি নিউজ লায়ন; রবিবার বিকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনের বাসন্তী ব্লকের চড়াবিদ্যা অঞ্চলের মধুমিতা খেয়াঘাটের বিদ্যাধরী নদীর চরে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১০ হাজার ম্যানগ্রোভের চারা রোপণ করা হয় জয়নগর কেন্দ্রের সাংসদ প্রতিমা মন্ডলের উদ্যোগে।এদিন জয়নগর কেন্দ্রের সাংসদ প্রতিমা মন্ডল তিনি নিজের নদীর চরে নেমে ম্যানগ্রোভ গাছের চারা রোপণ করে।
এদিনের ম্যানগ্রোভ চারা গাছ রোপণে অংশগ্রহণ করেন মহত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মনিশ্চয়তা প্রকল্পের জব কার্ডের বেনিফিসিয়ারিরা।ফলে কয়েকশো মহিলা ১০০ দিনের কোমড় বেঁধে নেমে পড়লো ম্যানগ্রোভ রোপণে।তবে এদিন কয়েক হাজার সুন্দরী গাছের চারা রোপণ করা হয়।পাশাপাশি বাইন,কাঁকড়া, কেওড়া,হেঁতাল,গেঁওয়া,গর্জন সহ বিভিন্ন প্রজাতির ম্যানগ্রোভ চারা গাছ রোপণ করা হয়।
গত ২৬ ও ২৭ মে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তান্ডবে নদীর বাঁধ ভেঙে নোনা জল ঢুকে প্লাবিত হয় গ্রামের পর গ্রাম সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।তবে যে সমস্ত জায়গায় ম্যানগ্রোভ গাছ ছিল,সেই সব জায়গায় নদীর বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।ফলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া নির্দেশে সুন্দরবন জুড়ে চলছে ম্যানগ্রোভ রোপণে কাজ।আর এই কাজকে বাস্তবে রুপ দিতে কোমড় বেঁধে নেমে পড়েছে সাংসদ থেকে শুরু করে বিধায়ক এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা।
এদিনের ম্যানগ্রোভ রোপণে সাধারণ মানুষজন বৃক্ষ আইন বিষয়ে সচেতন করে তোলেন সাংসদ প্রতিমা মন্ডল।তিনি বলেন অবৈধ ভাবে গাছ কাটা বা নষ্ট করা দণ্ডনীয় অপরাধ।জেল জরিমানা উভয় আছে।সাংসদ প্রতিমা মন্ডল আরও বলেন করোনা ভাইরাস অতি মহামারি সময়ে অক্সিজেনের অভাব দেশে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে মানুষের।তাই আমাদের বেশি করে বৃক্ষ রোপণ করতে হবে।একটি গাছ একটি প্রাণ।

Post a Comment