ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
দি নিউজ লায়নঃ ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে ঋণের কিস্তি বাবদ জমা পড়া টাকা ব্যাঙ্কে জমা না করার অভিযোগ উঠলো ওই গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। কাটোয়ার গরাগাছা এলাকার ঘটনা। জানা যায়, স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছিল একাধিক স্বনির্ভর গোষ্ঠী। ঋণের কিস্তির টাকা জমা পড়ত ব্যাঙ্কের ওই গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রে। কিন্তু গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্র থেকে সেই টাকা ব্যাঙ্কে জমা করা হয়নি। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা জানতে পারার পরেই দেখেন গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রে তালা ঝুলছে। বেপাত্তা গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা এজেন্ট।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে কাটোয়ার গরাগাছা বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে একটি রাস্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কের শাখা। ওই শাখার অধীনে রয়েছে ৫ টি গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্র। কাটোয়ার দেয়াসীন গ্রামের বাসিন্দা সুখেন মাজি নামে অভিযুক্ত ব্যাক্তি গরাগাছা বাসস্ট্যান্ডে গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রটি চালাতেন। স্থানীয়রা জানান খেদাপাড়া, পলতাগাছা, গরাগাছা প্রভৃতি এলাকা মিলে বেশকয়েকটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী ব্যাঙ্কে যে আর্থিক লেনদেন করতেন তা সুখেন মাজির কেন্দ্র থেকেই হয়ে আসত। ইদানিং গোষ্ঠীর মহিলারা জানতে পারেন তারা সময়মতো ওই গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রে কিস্তির টাকা জমা করে এসেছেন কিন্তু সেই টাকা ব্যঙ্কে জমা পড়েনি। পলতাগাছা গ্রামের একটি গোষ্ঠীর দলনেত্রী জানান তারা ২ লক্ষ ১০ হাজার ৬৯০ টাকা জমা করেছিলেন।
খেদাপাড়ার একটি গোষ্ঠী ৫৩ হাজার টাকা, ওই গ্রামেরই অপর একটি গোষ্ঠী ৩৭৮০০ টাকা জমা দিয়েছিলেন গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রে। ব্যাঙ্ক থেকে বকেয়া টাকা জমা দিতে বলার পরেই বিষয়টি জানাজানি হয়। আর এই ঘটনার পরেই দেখা যায় এলাকায় অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে ব্যাঙ্কে টাকা জমা দিয়েছেন ওই গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রে। তারাও এখন জানতে পারেন ওই টাকা আদৌ ব্যাঙ্কে জমা হয়নি। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার মানিক পাল সাংবাদিককে বলেন, "আমরা আগেই অভিযোগ পেয়েছিলাম। পুলিশকে জানানো হয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি।"

Post a Comment