পেঁয়াজের রসের স্বাস্থ্য উপকারিতা
দি নিউজ লায়ন;
ওজন কমায়
গবেষণামতে, পেঁয়াজ কোরেসটিন সমৃদ্ধ। এতে থাকা উপাদান লিপিড প্রোফাইল মেইনটেইনে সাহায্য করে। কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন ১০০ এমএল করে পেঁয়াজের জুস আট সপ্তাহ খেলে কোমরের পরিধি, খারাপ কোলেস্টেরলের (এলডিএল) মাত্রা এবং টোটাল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
পেঁয়াজের রসে থাকা কোরেসটিন ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
সর্দি-কাশি কমায়
সর্দি-কাশির অন্যতম ঘরোয়া নিরাময়ের উপাদান পেঁয়াজ। পেঁয়াজের রস ও মধুর মিশ্রণ শ্বাসযন্ত্রের ছোটখাটো সমস্যার হাত থেকে সুরক্ষা দেয়। ব্রঙ্কাইটিস ও অস্বাভাবিক রক্ত জমা থেকেও সুরক্ষা দেয়।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ যেমন স্ট্রোক ও হাইপারটেনশন স্থূলতার প্রধান কারণ। স্থূলতার কারণে হৃদরোগজনিত যে প্রদাহ হয়, তা কমাতে সাহায্য করে পেঁয়াজের জুস। এ ছাড়া পেঁয়াজের জুস হোমোসিস্টাইনের মাত্রা কমায়, যা হৃদরোগের সমস্যা থেকে সুরক্ষা দেয়।
চোখের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়
গবেষণামতে, চোখের সংক্রমণসহ নানাবিধ সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় পেঁয়াজের জুস। এতে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান স্ট্রেপটোকোকাস নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করে। চোখে ছানি পড়া ও দৃষ্টিসমস্যা থেকেও সুরক্ষা দেয় পেঁয়াজের জুস।
চুল গজাতে সাহায্য করে
অতিরিক্ত চুল পড়লে বা টাকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পেঁয়াজের জুস খুবই কার্যকর। প্রতিদিন দুবার করে যদি দুমাস পেঁয়াজের জুস মাথায় ব্যবহার করেন, তবে দুই সপ্তাহ পর থেকে নতুন চুল গজাতে শুরু করবে। নারীর তুলনায় পুরুষের চুল গজায় বেশি। চুল পড়া রোধেও পেঁয়াজের জুস কার্যকর।

Post a Comment