বাস চলাচল করলেও লোকাল ট্রেনের দাবি যাত্রীদের
দি নিউজ লায়ন; লকডাউনের শিথিলতা কাটাতে চালু হয়েছে বা চলাচল। শনিবার থেকে নদীয়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাসে যাত্রীরা যাতায়াত করছেন। জানা গিয়েছে নদীয়া জেলার অন্যতম শহর কৃষ্ণনগর বাস স্থান থেকে দেড়শ রুটে বাস চলাচল করছে। তবে শনিবার থেকে যাত্রীসংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি বাস মালিকদের।
সাথে সাথে যাত্রীরা দাবি তুলেছেন লোকাল ট্রেন চালু করা হোক। যাত্রীদের অভিযোগ বাসে অনেকটাই বেশি ভাড়া নেওয়ায় অনেকের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বাসে যাতায়াত করা। তাই ট্রেন যাতায়াত করলে তাদের পক্ষে সুবিধা হবে বলে মনে করছেন যাত্রীরা। তবে বাস মালিকদের অভিযোগ লোকাল ট্রেন চলাচল করলে যাত্রী পাওয়া যাবে ঠিকই কিন্তু অনেকেই আবার ট্রেনে যাতায়াত করবে ফলে আমাদের যাত্রী সংখ্যা কমে যাবে এমনটাই অভিযোগ উঠেছে।
কারণ লোকাল ট্রেনের বহু যাত্রী বাসে তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে যেতে পারেন। কিন্তু অনেকেই বলছেন ট্রেন চলাচল করলে কিছু সংখ্যক যাত্রী ট্রেনে যাতায়াত করা এ বাসে উঠবে না।
তবে নদীয়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ কৃষ্ণনগর থেকে ট্রেন ধরতে আসবেন তাই লোকাল ট্রেন চালু হলে বাসে আরো অধিক সংখ্যক যাত্রী উঠবে বলে বাস মালিকদের দাবি।
তবে করণা সংক্রান্ত বিষয়ে অনেকটা নিম্নমুখী হলেও কবে নাগাদ ট্রেন চলবে জানেন না অনেকেই। তাই অনেকেই দাবি করেছেন লোকাল ট্রেন চালু করা হোক।
শনিবার দেখা গেল নবদ্বীপ বাস এষ্টান থেকেও শতাধিক বাস বিভিন্ন রুটে যাতায়াত শুরু করেছে। নবদ্দীপ রেলগেট থেকে বাস কৃষ্ণনগর দুর্গাপুর আসানসোল শহর কলকাতায় যাচ্ছে।
যাত্রীসংখ্যা অনেকটাই আশা দায়ক তাই খুশি কন্ট্রাকটর ও চালকরা।
মানুষ ঘর থেকে বেরিয়েছে তবে অনেক সময় দেখা যাচ্ছে মাক্স এবং সানিতার ব্যবহার হচ্ছে না তবে বাসে উঠার সময় মালিকদের উচিত স্যানিটাইজার এবং মাক্স অবশ্যই দেখে নেওয়া কিন্তু কে আর করে এই কাজ এমনটাই অভিযোগ।

Post a Comment