শুভ জন্মদিন ফেরদৌসী রহমান
দি নিউজ লায়ন; চির তরুণ শব্দটা বহু ব্যবহারে ক্লিশে— তবু বাস্তবিক এই শব্দটাই তাঁর সঙ্গে যায়। ৩০ বা ৪০ বছর আগে তিনি যেমনটি ছিলেন, কণ্ঠে বা চেহারায়, এখনো তিনি তেমনই আছেন। যাঁর প্রতি শ্রোতাদের মুগ্ধতা অফুরান। সেই মুগ্ধতা ফেরদৌসী রহমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সংগীত-পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি তালিম নিতে শুরু করেন একদম ছোটবেলা থেকে। প্রথম সংগীতগুরু তাঁরই পিতা আব্বাস উদ্দিন। পরবর্তী সময়ে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরু, ইউসুফ খান কোরেইশী, কাদের জামেরী, গুল মোহাম্মদ খান, নাজাকাত আলী খান ও সলামাত আলী খান প্রমুখ নামজাদা ওস্তাদরা ছিলেন তাঁর গুরু।
রেডিওতে ‘খেলাঘর’ নামের একটা অনুষ্ঠানে যখন গান করেন, তখন বয়স ছিল মাত্র ৭ বছর, সেটা ১৯৪৮ সালের ঘটনা। তখন তিনি রবীন্দ্রসংগীত গাইতেন। এরপর ১৯৫৬ সালে প্রথমবারের মতো বড়দের অনুষ্ঠানে গান করেন। ১৯৫৭ সালে প্রথম গান রেকর্ড করেন এইচএমভি করাচি থেকে। এখানেই শেষ নয়, খুব অল্প বয়সেই তাঁর আরো উল্লেখ করার মতো অর্জন রয়েছে। সিনেমায় প্রথম প্লে-ব্যাক করার সময় তাঁর বয়স ১৮।
‘আসিয়া’ নামে চলচ্চিত্রে তিনি প্লে-ব্যাক করেন ১৯৫৯ সালে, আর তা মুক্তি পায় ১৯৬০-এ। এ চলচ্চিত্রের পরিচালক ছিলেন ফতেহ লোহানী। এই ছবি মুক্তির আগে অবশ্য মুক্তি পায় ‘এ দেশ তোমার আমার’ ছবিটি, যেখানে তিনি গান করেন। ফলে এটাকেই তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র বলা যায়।
গেয়েছেন বাংলা এবং উর্দু অনেক জনপ্রিয় সিনেমায়, তাঁর গানও তেমন জনপ্রিয় হয়েছে। ‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’, ‘যার ছায়া পড়েছে মনের আয়নাতে’, ‘প্রাণ সখিরে, ঐ শোন কদম্বতলে বংশী বাজায় কে’, ‘পদ্মার ঢেউরে মোর শূন্য হৃদয় পদ্মা নিয়ে যা যার

Post a Comment