উত্তরবঙ্গকে এরাজ্যের মানচিত্র থেকে বিচ্ছেদ করার নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে ভাজপা, মৌসম
দি নিউজ লায়ন; উত্তরবঙ্গকে এরাজ্যের মানচিত্র থেকে বিচ্ছেদ করার নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে ভাজপা। শুক্রবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূলের মালদা জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর এবং রাজ্যের সেচ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। তাঁরা বলেন, বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে গোহারা হেরেছে বিজেপি।
আর তার বদলা নিতেই এখন পাহাড় থেকে সমতলের মানুষদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে উত্তরবঙ্গ কেন্দ্রশাসিত করার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বিজেপি । এই নোংরা রাজনীতি মানুষ কোনভাবেই মেনে নিবে না। তৃনমূল এর বিরুদ্ধে এখন থেকেই গর্জে উঠেছে। এনিয়ে আগামীতে গণ আন্দোলন শুরু হবে। এর আগেও পাহাড়ের মানুষদের বিভ্রান্তি করতে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে রাজনীতি করেছিল বিজেপি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর উন্নয়নের জোয়ারে বিজেপির এই গোর্খাল্যান্ড ইসু্য কাজে আসে নি।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দৌলতে উত্তরবঙ্গে পাহাড় থেকে সমতলে যা উন্নয়ন হয়েছে, তা কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কোনদিন ভাবতেই পারে নি। তাই এখন বিধানসভায় ভরাডুবির পর এভাবেই বাংলার মানুষকে অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। এদিন দুপুরে মালদা প্রেস কর্ণারে তৃণমূলের এই সাংবাদিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সাংসদ এবং মন্ত্রী ছাড়াও এই দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান বাবলা সরকার, প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী। ছিলেন তৃণমূলের জেলার দুই মুখপাত্র শুভময় বসু, সুমনা আগারওয়াল প্রমূখ।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর বলেন, এক সময় ব্রিটিশদের হাতে যখন দেশ পরাধীন ছিল, তখন সেই ব্রিটিশ শাসকেরা এই ভাবেই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়ে নিজেদের একছত্র শাসন চালিয়েছে। আর এখন কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ব্রিটিশদের সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেই এভাবেই চলতে চাইছে। আসলে বিধানসভা নির্বাচনে এরাজ্যে ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির । উত্তরবঙ্গে হেরে ভূত হয়েছে বিজেপি। আর যার কারনেই এখন উত্তরবঙ্গকে রাজ্যের মানচিত্র থেকে আলাদা করার নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এই পরিস্থিতি কোনভাবেই হতে দিবে না। তারজন্য রাজ্যের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক বৈঠক করে মানুষকে বিজেপির এই নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে জানিয়ে দেওয়া উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমনকি বিজেপির কিছু বিধায়ক, নেতারাও বঙ্গভঙ্গ না হওয়ার ব্যাপারে মতামত জানিয়েছেন । তার পরেও গোপনে চলছে এই নোংরা রাজনীতির খেলা। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

Post a Comment