করোণা বিধি না মেনে জামাইষষ্ঠীতে যাওয়ার হুজুগ, ধনেশ্বরপুরে পুলিশের নাকায় হিমশিম খেলেন বহু দম্পতি
দি নিউজ লায়ন; জামাই ষষ্ঠীর দিনে ও ধরপাকড় পুলিসের।পথচলতি মাস্ক বিহীন জামাইদের একপ্রকার জামাই আদর করে ছাড়লেন তাঁরা।বাড়ি থেকে বেরিয়ে শ্বশুরবাড়ির দিকে রওনা দিলেও মাঝপথে মাস্ক বিহীন অবস্থায় পুলিশের হাতে ধরা পড়লে আবার পুনরায় ঘুরে যেতে হচ্ছে বাড়ি।এমনিতেই করোনা পরিস্থিতির জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ। তার ওপর সকাল থেকে অনবরত লেগেই রয়েছে বৃষ্টি।তা সত্ত্বেও বছরের এই একটা দিনের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে চাইছে না অনেকে।
তাই টোটো অটো এমনকী বাইকে করে বউ বাচ্চা কেউবা একা মন্ডা মিঠাই নিয়ে বেরিয়েছিলেন শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে।কিন্তু মাস্ক বিহীন অবস্থায় এই করোনা পরিস্থিতিতে রাস্তায় বেরনোয় পুলিশের হাতে ধরা পড়লে পুনরায় ঘুরে যেতে হচ্ছে নিজের বাড়ি।ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানার জোড়াগেড়িয়া ফাঁড়ির ধনেশ্বরপুর এলাকায়।এই করোনা পরিস্থিতিতেও সকাল থেকে জামাই ষষ্ঠীর বাজার ছিল মোটের ওপর সচল।অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের মতো ভিড় দেখা গিয়েছিল সকাল থেকে।তাই শ্বশুরবাড়িতে যাওয়া জামাইদের কেনাকাটা, সেইসঙ্গে জামাইকে সাদরে আমন্ত্রিন করে পাত পেড়ে খাওয়ানোর জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকেদের কেনাকাটার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
আর কেউবা সকাল কিংবা দুপুরে শ্বশুরবাড়ির দিকে রওনা দেওয়ার সময়।বৃষ্টির মধ্যেও বেলদা থানার জোড়াগেড়িয়া ফাঁড়ির ধনেশ্বরপুরের কাছে মাস্কবিহীন অবস্থায় পুলিশের কাছে ধরা পড়লেই আইনের কড়াকড়ি, নচেত ফিরে যেতে হচ্ছে বাড়ি জামাই বাবা জীবনকে।তবে বুধবার জামাইষষ্ঠী বলে শুধুমাত্র শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া জামাইদের নয়, সেইসঙ্গে পথচলতি টোটো, অটো, ছোট বড় সব ধরনের গাড়ি এবং তাতে সাওয়ারি যাত্রীরা মাস্ক পরেছে কিনা খতিয়ে দেখছেন ওই পুলিশ প্রশাসনের লোকেরা।যদিও জামাইষষ্ঠীর দিনে পুলিশের এই সক্রিয়তা নিয়ে আনাচে কানাচে শুরু হয়েছে সমালোচনা।তবে জামাই ষষ্ঠি হোক বা বিশেষ কোনো পার্বণ এখনো করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়।তাই করোনা পরিস্থিতির রাজ্য সরকারি বিধি নিষেধ বাড়ানো হয়েছে।আর পুলিশের এই সক্রিয়তা মানুষের সচেতনতার পাঠ মাত্র।তাই পুলিশের এই সক্রিয়তাকে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা।

Post a Comment